Wednesday, December 04, 2013

সর্বরোগীহর

কয়েকদিন বাদেই কস্তুরের বিয়ে। তাই একটু অন্যমনস্ক হয়ে থাকে সে। অফিসে কেউ প্রথমবার ডাকলে সে সবসময় ঠিকমতো শুনে ওঠে না যেন, দ্বিতীয়বার একটু জোরে ডাকতে হয়।
সহকর্মীদের অনেকেই বিবাহিত। তারা কস্তুরের আসন্ন বিয়ের কথাও জানে। কস্তুরের মুখে অনেকে নিজের এক বছর, দেড় বছর, দুই বছর, কেউ কেউ পাঁচ বছর অতীতের বিম্ব দেখে মিটিমিটি হাসে। অবিবাহিত দুয়েকজন ডেঁপো তাকে এটা সেটা বলে লজ্জা দেওয়ার চেষ্টা করে। কস্তুর অবশ্য তাতে দমে যায় না। সে মিটিমিটি হাসে আর গোঁফে তা দেয়। তারপর আবার একটু অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে।
বসও এসে মশকরা করেন, বলেন, দেখো, কামের কল্পনায় যেন কাজে সমিস্যা না হয়। এখন থেকেই দুটোকে আলাদা করে ফেলতে হবে। সেপারেশন অফ স্টেট অ্যান্ড চার্চের মতো। অফিসে কাজ, বাড়িতে কাম। তাহলেই জীবনটা ধনধান্যেপুষ্পেবসুন্ধরায় একেবারে গিসগিস করবে।
ইন্টার্নশিপ করতে আসা দুটি টলটলে তরুণী সন্দেহভরা চোখে বস আর কস্তুরকে দেখে আড়চোখে।
কস্তুরের সহকর্মিনীরাও তাকে সাহস যোগায়। চম্পাচামেলি চৌধুরী বয়সে কস্তুরের চেয়ে বছর তিনেকের বড়, তিনি লাঞ্চে অকাতরে বিড়ি ফোঁকেন আর কস্তুরকে সাহস যোগান, বলেন, বাসর রাতে বেড়াল মেরে দিও। লজ্জা ঘেন্না ভয়, এ তিন থাকতে নয়।
বেড়ালের কথা শুনে কস্তুর আবার অন্যমনস্ক হয়ে যায়। বাসর রাতে প্রতীকী বেড়াল বধের উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠার বদলে একটা সুখসুখ স্বপ্নস্বপ্ন আলোআলো ভাব ফুটে থাকে তার চেহারায়।
কিন্তু যতোই দিন কাছে আসে, কস্তুর একটু একটু গম্ভীর হয়ে যায়। আগে যেমন কাজের ফাঁকে হঠাৎ একটু ব্রেক নিয়ে চেয়ারটায় হেলান দিয়ে টলটলে ইন্টার্ন মেয়েদের ফিরে অন্যমনস্ক হয়ে কী একটা ভাবতো সে, সেই ভাবনার আকাশে ঈশানাগত মেঘ যেন এ টি এম শামসুজ্জামানের মতো ভিলেনি আকার ইঙ্গিত দেয়।
বিবাহিত সহকর্মীরা একে অন্যের দিকে তাকিয়ে সমঝদারের হাসি হাসে। তারা জানে, জাহাজকে সতর্ক থাকতে হয় বন্দরের আশেপাশে এসেই। তীরবর্তী তরঙ্গেই তরীর তিরোধান ঘটে বেশি। তারা পিঠ চাপড়ে সাহস দেয় কস্তুরকে। টলটলে ইন্টার্ন মেয়েগুলো সাবধানে সবকিছু ঢেকেঢুকে বসে।
কিন্তু ক্রমশ কস্তুরের মুখের সুখচ্ছটা কমে আসতে দেখে একদিন অফিসের গুরুজনেরা ঠিক করেন, সময় হয়েছে। লাঞ্চের পর অবিবাহিত দুটো ছোকরাকে টলটলে ইন্টার্ন দুটোর সঙ্গে আরেক ব্রাঞ্চে পাঠিয়ে দিয়ে তারা পিয়ন বাদশাকে হাঁক দিয়ে বলেন, বাদশা রে, চা লাগা। এলাচি দিয়া গরম গরম তুরন্ত!
কস্তুর একটু উৎকণ্ঠিত চোখে অগ্রগামীদের মুখের দিকে তাকায়, কী যেন খোঁজে।
একজন বলেন, দ্যাখো, শুরুতেই বলি, এই যে গণ্ডারের শিং, বাঘের নুনু, তক্ষকের তেল, এগুলি আসলে কুসংস্কার। বুচ্ছো না?
কস্তুর নড়েচড়ে বসে।
পশুবান্ধব সহকর্মীটি জোর দিয়ে বলেন, আমি গ্যারান্টি দিয়া বলতে পারি, এইসবে আসলে কোনোই ফায়দা হয় না। সবই বোগাস। আরবান লিজেন্ড। যুগ যুগ ধরে চলে আসা মিথলজি, মেয়েদের অর্গাজমের মতোই। শিল্প সাহিত্যের চিপাচাপায় এইসব আছে, বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নাই।
অন্যেরা একটু উসখুস করে। আনমনা হয়ে পড়েন দুয়েকজন, বাকিরা জোর গলায় সমর্থন দেন, ঠিক ঠিক।
বক্তা কস্তুরের ঊরুতে দুর্যোধনী চাপড় দিয়ে বলেন, কাজেই তুমি যদি এই মুক্তবাজার অর্থনীতিতে নেপাল বা আসাম থেকে গণ্ডারের শিং আনানোর অর্ডার দিয়াও থাকো, আমি শুধু বলবো, দ্যাট ওয়াজন্ট ওয়াইজ। গণ্ডারের শিং তো বাস্তবে গণ্ডারের লোম। গণ্ডারের শিং গুড়া করে দুধ আর চীনাবাদামের গুঁড়ার সঙ্গে মিশিয়ে কোঁৎ করে গিলে ফেললে যেসব ঘটনা ঘটে বলে প্রচার করা হয়, তা আসলে ঘটে না। নিশ্চিত থাকো।
কস্তুরের চেহারায় যেন সামান্য আশঙ্কার ছায়া পড়ে।
বক্তা বাঘের নুনু ও তক্ষকের তেল সম্পর্কেও জোর আশ্বাস দেন, কিছুই নাকি ঘটে না।
কস্তুরের মুখটা আরো এক পর্দা আঁধার হয়ে আসে।
একজন ক্ষীণ গলায় বলেন, ষাণ্ডার তেলে কিন্তু উপকার পাওয়া যায়।
এবার কস্তুর একটু ধাতস্থ হলেও পশুমিত্র তেড়ে আসেন চেয়ার ছেড়ে। তক্ষককে হিন্দিতে বলে ষাণ্ডা, তার তেলে কী এমন হাতিঘোড়া হতে পারে? তক্ষক কি সয়াবিন না নারিকেল যে তাকে পিষে তেল বার করতে হবে? আর সেই তেলে তো রোগ জীবাণু কিলবিল করবে। সেই তেল মাখার পর এঞ্জিন চিরতরে ডাউন হয়ে পড়বে না, তার নিশ্চয়তা দেবে কে?
তার আবেগমথিত ভাষণে ষাণ্ডার তেলের উপকারপন্থী একটু দমে যান। আরেকজন বলেন, ডাহুক পাখির মাংস ভুনা করে খেলে কিন্তু আসলেই শরীরে একটা জোশ আসে। সারাদিন মনমরা হয়ে ঘুরছেন, এক থাল ভাত খান ডাহুক পাখির গোশভুনা দিয়ে, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দুনিয়াটাকে মনে হবে নরম নরম, গরম গরম ... ।
অন্যেরা থামিয়ে দেন তাকে। পশুমিত্র কিছু বলেন না, আনমনে কী যেন ভাবেন।
ডাহুকলিপ্সু তবুও বকে চলেন, ইন্ডিয়াতে, এগজ্যাক্ট জায়গাটা মনে নাই, মহারাষ্ট্র না গুজরাট কোথায় যেন গোড়াবন পাখি পাওয়া যায়। আহা, গোড়াবন পাখির স্যুপ, একেবারে গুষ্টিশুদ্ধা চুপ!
আবারও থামিয়ে দেওয়া হয় তাকে।
ষাণ্ডার তেলবিলাসী বলেন, ডাহুক পাখির গোস্তের ব্যাপারে আসলে জোর দিয়ে কিছু বলা যায় না। আসলে দৈনিক কচুবনকে দিয়ে একটা জরিপ করানো প্রয়োজন। আজকাল জরিপ ছাড়া এভাবে কিছু বলা ঠিক না।
সবাই তাকে কড়া চোখের চাহনিতে পুড়িয়ে ছাই করে বসিয়ে দেন।
এতক্ষণ চুপ করে শোনা একজন বলেন, এ সবই হচ্ছে বেদেদের বুদ্ধি। এরা এইসব গণ্ডার ফণ্ডার, বাঘছাগ, তক্ষক টক্ষক, ডাহুক মাহুক ধরে, আর বোকাসোকা লোকজনকে সেগুলো গছায়। এইসব সেবন করে সাদেক হোসেন খোকা কখনও আলতাফ হোসেন গোলন্দাজ হতে পারবে না। আপনারা কেউ সাধনা ঔষধালয়ের মহাদ্রাক্ষারিষ্টের নাম শুনেছেন?
কস্তুরের মুখে আলোআলো ভাবটা ফিরে আসে। সে হৃষ্টচিত্তে বলে, আমি শুনেছি, আমি শুনেছি।
কামানরাঙা [অলঙ্করণ: সুজন চৌধুরী]
মহাদ্রাক্ষারিষ্টভক্ত গদগদ গলায় বলেন, আমাকে আমার এক বড় ভাই এর খোঁজ দিয়েছিলেন। নামে নয়, গুণে পরিচয়। আমি বলবো, কস্তুর, তুমি এটা এস্তেমাল করে দেখো। একদম শুরু থেকেই। শুরু থেকে শুরু করার কোনো বিকল্প নাই ভায়া।
বাদশা ট্রেতে এতক্ষণে চায়ের কাপ সাজিয়ে ঘরে ঢোকে। সবাই তড়িঘড়ি করে চায়ের কাপ টেনে নিয়ে যখন চুমুক দিচ্ছে, তখন বস মুখ খোলেন।
চায়ের কাপটিকে সানি লিওন জ্ঞান করে ফড়াৎকারে এক প্রলয়ঙ্করী চুমুক দিয়ে তিনি বলেন, কস্তুর, এইসব ফটকাদের কথায় কান দিও না। কলকাতায় শপিংটপিং করতে যদি যাওয়া হয়, ডাবুর শিলাজিৎ বা থ্রি নট থ্রি ক্যাপসুল আনাও। ব্যাক আপ হিসাবে কলিকাতা হারবাল।
এঁচড়ে পাকারা স্তব্ধ হয়ে যায়। কস্তুর প্যাড টেনে নিয়ে সাগ্রহে খসখস করে নোট করে।
আরেকটি জোরালো চুমুকের পর বস বলেন, অফিস শেষে একদিন হামদর্দ ঔষধালয়ে গিয়ে হানা দিও। বাদশাহী বটিকা অথবা সাফুকে সুজাক, কিংবা যদি তোমার প্রয়োজন পড়ে, দুইটাই।
কস্তুরের প্যাডে কলম দৌড়ায় জেরোনিমোর ঘোড়ার মতো।
বস এক একটি পিলেচমকানো চুমুক মেরে মেরে চায়ের কাপটিকে প্রথম দফায় তৃপ্ত রমণীর মতো হাফখালি করে এনে বলেন, বরযাত্রা তো যাবে চট্টগ্রাম, নাকি? আগেই কাউকে পাঠিয়ে দিও। কুণ্ডেশ্বরী ঔষধালয়ের কী একটা সালসা আছে, নামটা এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না। তবে ওটায় মকরধ্বজ প্লাস সারিবাদ্যরিষ্ট প্লাস দশমূলারিষ্ট প্লাস স্বর্ণসিন্দুর প্লাস মহাদ্রাক্ষারিষ্ট। পশু পাখি সোনা দানা মূলা দ্রাক্ষা কোনো কিছুরই অভাব ওতে নাই রে বাছা।
কস্তুরের প্যাড থেকে সূক্ষ্ম ধোঁয়া ছোটে সিলিঙের পানে।
বস আড়নয়নে সবার দিকে চান একবার, তারপর আনমনে বলেন, তবে তোমরা আজকালকার পোলাপান। বড় হয়েছো ভ্যাজাল খেয়ে খেয়ে। দুধে পানি আর পাউডার, এক তেলে অন্য তেল, মরিচে ইটের গুঁড়া, লবণে আয়োডিনের অভাব। কেবল যে কোনো একটায় তোমাদের কাজ না-ও হতে পারে। সেক্ষেত্রে শক্তি ঔষধালয়ের মৃতসঞ্জিবনী সুরার সাথে উদ্যম সুধা, কিংবা ধরো গিয়ে সাধনা ঔষধালয়ের সারিবাদী সালসার সাথে ধনঞ্জয় মোদক মিলিয়ে সেবন করে দেখতে পারো। খোকাকে শুধু গোলন্দাজ হলেই চলবে না, ব্লিৎজক্রিগও চালিয়ে যেতে হবে সিজনের পর সিজন। হিটলারি হিটের জন্যে পারমুটেশন কম্বিনেশনের কোনো বিকল্প নাই।
ষাণ্ডার তেলবিলাসী কস্তুরের প্যাড থেকে পৃষ্ঠা ছিঁড়ে হাঁক ছেড়ে বলেন, বাদশা রে, ছয় কপি ফোটোকপি কর।
একজন ভয়ে ভয়ে বলেন, আমরা তো খালি এক দিকের কথা চিন্তা করছি, অন্য দিকের কথাও তো আমাদের ভাবতে হবে, তাই না?
বস নাক কুঁচকে বলেন, অন্য দিক মানে? য়্যাই খাচ্চর পোলা তুমি কী বলতে চাও, য়্যাঁ? এই বয়সেই এইসব কী?
কস্তুর তাড়াতাড়ি বলে, না না আপাতত একদিক নিয়েই আলোচনা হোক, একদিক নিয়েই।
লজ্জা পেয়ে সহকর্মী বলেন, আরে ধ্যৎ আমি বলতে চাচ্ছি, খালি কস্তুরের কথা ভাবলেই তো চলবে না। বাচ্চা একটা মেয়ের ওপর এইভাবে জেনেটিক্যালি মডিফায়েড হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া কি ঠিক? হারমিওনি গ্রেঞ্জারের ওপর হাল্ককে লেলিয়ে দিলে তো চলবে না।
কস্তুর শুধরে দেয়, বলে, জেনেটিক্যালি নয়, কেমিক্যালি। জেনেটিক্সের ব্যাপারগুলো অন্যরকম, পরে বুঝিয়ে বলবো'ক্ষণ।
বস হাসেন মিটিমিটি। বলেন, সে বন্দোবস্তও আছে বৈকি। আয়ুর্বেদ ও হেকিমী জগতে কোনো জেন্ডার বায়াস নাই। হামদর্দের রফিকুননেছা, সাধনার পতরঙ্গাসব, শক্তি ঔষধালয়ের লাবণী মোদক আছে, বেছে নাও যেটা খুশি! পারমুটেশন কম্বিনেশন রে বাছা, পারমুটেশন কম্বিনেশন।
কস্তুর ফোটোকপিয়ারের নিচে মিশনারি পজিশনে যাওয়ার আগেই পৃষ্ঠাটা আবার বাদশার হাত থেকে হাতিয়ে নিয়ে কলম ছোটায়।
বস নিজের কাপের চা শেষ করে বলেন, এককালে ঢাকায় হালুয়া পাওয়া যেতো নানারকম। পালংতোড়, বিজলি কা খাম্বা, উলট বব্বর, রাত বাকি বাত বাকি। তারপর ছিলো মশলা পান, কী সব বাহারি নাম তাদের ... ফিরে ফিরে আসি, যেও না সাথী, লৌহ কপাট কর রে লোপাট, পথে হলো দেরি, দীপ জ্বেলে যাই। আহ, কী দিনই না ছিলো সেসব। আজ আর কিছুই নেই। সেই পানও নাই সেই শানও নাই। কী সব ইয়াবা, বিজয় ট্যাবলেট, শক্তি দই ... অবক্ষয়, বুঝলে, অবক্ষয়!
কস্তুরের কলম পাওয়ার প্লে নিয়ে মাঠে নামে।
এদিক ওদিক দুদিক নিয়েই চিন্তা করা সহকর্মীটি এবার আবারো চিন্তিত হয়ে পড়েন। ভয়ে ভয়ে শুধান, আচ্ছা, মিয়া বিবি দুইজনই নাহয় অস্ত্রশস্ত্র বুঝে পেলো। কিন্তু পাড়াপড়শীদের কী হবে?
কস্তুরের মুখ অন্ধকার হয়ে আসে। সে ধরা গলায় বলে, আমার ঘরটা আসলে না খুব শক্তপোক্ত না। একটু জোরে সাউন্ড দিয়ে সিনেমা দেখলেও বাইরে থেকে শোনা যায়। মানে, ঐ যে ডকুমেন্টারি আর কি। প্রকৃতি, বিজ্ঞান, মহাবিশ্ব নিয়ে প্রামাণ্যচিত্রের কথা বলছিলাম। যেগুলোতে অ্যাটেনবোরো, ব্রায়ান কক্স, এরা থাকেন। আমি তো এগুলোই দেখি। অন্য কিছু নয় কিন্তু।
বস শূন্য কাপটা তুলে নিয়ে আনমনে চুমুক দিতে গিয়ে আবার নামিয়ে রেখে বলেন, পাড়াপড়শীদের জন্যও ব্যবস্থা আছে বই কি। উত্তম ঘুমের জন্য শরবতের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে পারো শক্তিশেল আয়ুর্বেদের নিদ্রানীহার, ভীমধ্বজ কেমিক্যালসের নিন্দিয়া কি বুন্দিয়া, যশোহর ঔষধালয়ের পড়শীপ্রিয় আরকশৃঙ্গার। আশেপাশের চল্লিশ বাড়ির মানুষকে বিলাতে হবে অবশ্য। তবে এর চেয়ে সহজ ব্যবস্থা হচ্ছে ইনজিনিয়ার ডেকে ঘরে ফলস প্যানেল বসানো।
কস্তুরের মুখে আবার সেই সুখচ্ছটা ফিরে আসে, সে সুখসুখ স্বপ্নস্বপ্ন আলোআলো মুখে প্যাড চুরমার করে শুধু নোট নিতে থাকে, নোট নিতে থাকে, নোট নিতে থাকে ... ।

অভিনন্দন হে পাত্র চোখ টিপি !
বিভিন্ন কারিগরি পরামর্শের জন্যে বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার ষষ্ঠ পাণ্ডবের কাছে।

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।