Wednesday, December 11, 2013

ছাগদূতম



মানবাধিকারবার ঘটনাটা আজকাল ছোঁয়াচে
এতদিন করে যেতো শুধু হিউম্যান রাইটস ওয়াচে
অ্যামনেস্টিও মাঝে মাঝে বলে যেতো, এ কী কচ্ছো?
না না ভাই, তোমাদের বিচার তো অতীব অনচ্ছ!
চুপচাপ শুনে গিয়ে, যতোবার বলা হয় বুঝিয়ে
মানবাধিকারবারি জল ঘোলা করে আরো উজিয়ে।
গত ক'দিনের মাঝে মাথা গুণে দেখি, দিশা পাই নে,
মানবাধিকারবারি যতো আছে খাড়া এক লাইনে
চুনোপুঁটি অধিকার থেকে শুরু করে জাতিসংঘ
সব্বার চাপে কাঁপে গরিবের ভাবী এই বঙ্গ
কে যে কার আগে দেবে বিবৃতি, উদ্বেগ ও নিন্দা
উপদেশ একটাই, কসাই কাদেরে রাখো জিন্দা।
দিয়ো নাকো ফাঁসি তারে, ভারি বাজে মৃত্যুর দণ্ড
মানবতা হয় তাতে একেবারে পয়মাল, পণ্ড
না হয় মেরেছে কাদু দু'বছর বয়সের শিশুকে
তাই বলে ফাঁসি তার যায় মোটে মেনে নেওয়া কি সুখে?
হাত ফসকিয়ে তার গুলি ছুটে লোক মরে চারশো
তাই বলে ফাঁসি? হবে বড় বাজে প্রতিক্রিয়া পার্শ্ব
নুনু ফসকিয়ে কোনো একাদশী হলো ধর্ষিতা, তার
আগে খুন হয়ে গেছে ভাইবোনমাতা তার, পিতা তার?
যা হবার হয়ে গেছে, অতীতের এতো কথা ভুলিয়া
কসাই কাদেরে রাখো বাঁচিয়ে, ও ফাঁসি নাও তুলিয়া।
আহা বড় মায়া লাগে মানবাধিকারবারিগুলোকে
এতো ভালো লোক আর নাই বুঝি দ্যূলোকে ও ভূলোকে
কাদেরের তরে কাঁদে এক সুরে বৃদ্ধ ও জোয়ানে
কোথায় ছিলো রে এরা সে সুদূর সেভেন্টি ওয়ানে?
পোকামাকড়ের মতো মরেছে মানুষ এই দেশটায়
মানবাধিকারবারি তখন কি ছিলো কোনো চেষ্টায়
তিরিশ লক্ষ প্রাণ বাঁচানোর? হে হে, জাতিসংঘ!
ইতিহাসে লেখা তোর কুদরত রঙ্গবিরঙ্গ।
সারা দুনিয়ায় আছো যত চুতমারানির ছাও রে
পেয়েছো গরিব তাই কাছা তুলে পাছা মেরে যাও রে
শুনে রাখো, এ বিচারে কখনোই মৃত্যুর দণ্ড
যথেষ্ট নয়, ঐ অপরাধ এতোই প্রচণ্ড।
আমাদের পশ্চাতে অণুবীক্ষণ ধরে গু খুঁজে
আগে সাফ করে নাও নিজ পশ্চাতে হাগাটুকু যে।
জাতিসংঘের ছাতি ছায়া দেয় কসাইকে কিল্লাই?
বিবৃতি বাদ, আগে এ জবাব দেন, নাভি পিল্লাই।

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।