Thursday, February 16, 2012

শকুন


ঐ যে আকাশে চক্কর কাটছে, ওগুলো কি শকুন?
আসাদুল হক ভাবতে ভাবতে কখন প্রশ্নটা উচ্চারণ করে ফেলেন, নিজেও টের পান না। পাশের চেয়ারে বসে একটা পুরনো ম্যাগাজিনে চোখ বুলাচ্ছিলো আলী সুজা, সে চোখ তুলে তাকিয়ে ঘোঁৎ করে একটা শব্দ করে বলে, "ঢাকা শহরে শকুন আসবে কোত্থেকে?"
আসাদুল হক নিজের ভাবনার উত্তর আসতে শুনে চমকে ওঠেন, তারপর বুঝতে পারেন, আজকাল ভাবনাগুলো উচ্চারিত হয়ে যাচ্ছে। এমনটা আগে হতো না। মানুষের ভিড়ে নিজের চিন্তাগুলো সশব্দে জানানো বিড়ম্বনাকর। চিন্তাগুলো যদি প্রশ্নাকার হয়, তাহলে আরো যন্ত্রণা। সব প্রশ্নের উত্তর সবার কাছ থেকে আসা ঠিক নয়। আলী সুজার মুখ থেকে এই প্রশ্নের উত্তরে পাল্টা প্রশ্ন শোনার ইচ্ছা যেমন তাঁর এখন ছিলো না।
কিন্তু প্রশ্নটা মাথার আকাশে শকুনের মতোই চক্কর কাটে। তিনি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকেন। আজ সকালটা ভালোই লাগছে তাঁর। শরীর দুর্বল হলেও খানিকটা সুস্থ বোধ করছেন, ইচ্ছা করছে রাস্তা ধরে একটু হেঁটেও আসতে। সেটা যাতে তিনি করতে না পারেন, সেজন্যে সবসময় কেউ না কেউ তাঁকে পাহারা দেয়। মদের বোতল নাগালের বাইরে রাখে, সিগারেটের প্যাকেট দেখলে চুরি করে সরিয়ে রাখে। এরা তাঁকে ভালোবাসে বলেই মরতে দিতে চায় না। কিন্তু বাঁচতেও দিতে চায় না।
সিগারেটের তৃষ্ণা হননের বেশ কিছু কায়দা তাঁকে নানা সময়ে নানা শুভার্থী শিখিয়ে দিয়ে গেছে। তার মধ্যে একটা হচ্ছে কোনো কিছু নিয়ে গভীর চিন্তার চেষ্টা না করা। এর চেয়ে বড় কাঠবলদপনা আর কী হতে পারে? একটা মানুষ জেগে থাকলে গভীর চিন্তা থেকে দূরে থাকে কীভাবে?
আলী সুজা আবার ঘোঁৎ করে শব্দ করে বলে, "টিভি দ্যাখ। কিংবা গান শোন। কিংবা বইটই পড়। ফেসবুকে সময় কাটা।"
আসাদুল হকের মনটা বিষাদে ছেয়ে গেলো। চিন্তার গোপনীয়তার স্বাধীনতাটুকুও কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে বয়স আর ব্যাধি।
টিভি দেখতে ভালো লাগে না তাঁর। জীবনের বড় একটা সময় ঐ জিনিসটাকে ঘিরেই কেটে গেলো। শোনার মতো গানও পান না ইদানীং, সবই পুনরাবৃত্ত একঘেয়ে মনে হয়। বই পড়তে গেলেই তো ভাবতে হয়। ফেসবুকে সময় কাটানো যায় কীভাবে?
আলী সুজা বলে, "অচেনা কাউকে অ্যাড করে আলাপ করতে থাক।"
আসাদুল হক চোখ বন্ধ করে মাথা থেকে শকুন তাড়ানোর চেষ্টা করতে লাগলেন। আলী সুজা অনেক চেষ্টা করছে স্বাভাবিক আচরণের জন্যে। তার নিয়মিত বিদ্রুপ হাসিঠাট্টা মশকরাগুলোকে অন্যদের মতো খাপে পুরে রাখছে না সে। হয়তো বোঝানোর চেষ্টা করছে, সবকিছু আছে আগের মতোই। শুধু শরীরের ভেতর থেকে কেউ একজন একটু পর পর ফিসফিস করে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, সময় নেই আসাদুল হক।
"ঢাকা শহরে শকুন নাই?" প্রশ্নটা স্বেচ্ছায় করতে পেরে একটু খুশি হয়ে ওঠেন আসাদুল হক।
আলী সুজা উঠে বারান্দার রেলিঙে প্রকাণ্ড দুই হাতের ভর রেখে আকাশ দেখার চেষ্টা করে। তারপর বলে, "ঢাকা শহর কেন, গোটা দেশ থেকেই শকুন মরে সাফ হয়ে গেছে।"
আসাদুল হক গ্রামের বাড়ির কথা স্মরণ করার চেষ্টা করেন। বছর দুয়েক আগে শেষ যাওয়া হয়েছিলো। গত দশ বছরে তিনি কি শকুন দেখেছেন কোথাও? এখন কি তাহলে আর মাঠে গরু ছাগল মরে পড়ে থাকে না? শকুনেরা কি না খেতে পেয়ে মারা গেলো?
আলী সুজা বিরক্ত হয়ে বলেন, "গরু ছাগলের কি এখন আর অসুখে মরার হালত আছে নাকি? সব খেয়ে সাফ করে ফেলছে লোকজন। অসুস্থ গরুর মাংসও বাজারে চলে আসে। কোটি কোটি লোক দেশে, কোটি কোটি লোক। দুইদিন পর মানুষের মাংসও বাজারে চলে আসবে।"
আসাদুল হক বলেন, "তাহলে শকুন কী খায়?"
আলী সুজা কাঁধ ঝাঁকায়। "আই ডোন্নো। কী খায় শকুন? দেয়ার মাস্ট বি সামথিং আউট দেয়ার।"
আসাদুল হক বলেন, "শকুনের দুর্ভিক্ষ!"
আলী সুজা হাসে ঠা ঠা করে, তারপর বলে, "না। শকুন মারা যাচ্ছে কী একটা ওষুধের কারণে। একটা অ্যান্টিবায়োটিক। গরুছাগলের অসুখ হলে ওটা দেদারসে খাওয়ায় গ্রামের লোকজন। খুব কড়া ওষুধ। গরুর রোগ ভালো হোক না হোক, একেবারে গরুর হাড্ডিমাংসে গিয়ে জমা হয়। পরে ঐ গরুর মাংস কোনো শকুন খেলে, শকুনও মরে যায়। দেশের ৯৯% শকুন এভাবে মরে গেছে, পড়িসনি কাগজে?"
আসাদুল হক খবরটা পড়েছিলেন। খুবই নাড়া দেয়ার মতো খবর। দেশ থেকে শকুন বিলুপ্ত হয়ে গেলে ব্যাপারটা কেমন হবে? একাত্তর সালে শকুনের খুব বাড়বাড়ন্ত হয়েছিলো। চল্লিশ বছরের মধ্যে এভাবে শেষ হয়ে গেলো ওরা?
আলী সুজা কিছু বলছে না দেখে আসাদুল হক মুখ তুলে তাকান। আলী সুজা বাইরে তাকিয়ে আছে একদৃষ্টিতে। তবে কি আসাদুল হক মনে মনে একটা প্রশ্ন গোপনে ভাবতে পারলেন? নাকি আলী সুজা শুনতে পায়নি?
আলী সুজা বিরক্ত হয়ে ফিরে তাকায়, "কী শুনতে পাইনি?"
হচ্ছে না। মুখ গলে বেরিয়ে যাচ্ছে মনের চিন্তা। আসাদুল হক বিমর্ষ মুখে বললেন, "ওষুধটার নাম কী?"
আলী সুজা মাথা নাড়ে, "কে জানে? বিদঘুটে নাম। গরুর ওষুধের নাম মনে রাখার তো কোনো দরকার নাই আমার।"
আসাদুল হক চিন্তা করতে থাকেন। নামটা বেশ শক্তই। মস্তিষ্কের কোনো এক গোপন চিলেকোঠায় ঢুকে দরজা বন্ধ করে বসে আছে নামটা। কী যেন নামটা, কী যেন?
আলী সুজা আবার এসে বসে চেয়ারে, "ওগুলো শকুন না। চিল।"
আসাদুল হক আধশোয়া হয়ে বসে দেখতে থাকেন চক্কর কাটতে থাকা পাখিগুলোকে। চিল ধানমণ্ডির আকাশে কেন উড়ছে? ধানমণ্ডিতে তো মাছ নেই। মুরগিও নেই। হাজার হাজার কংক্রিটের বাড়িঘর কেবল। আর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি। আর খাবারের দোকান।
আলী সুজা বলে, "চিল কি আর আগের মতো আছে যে মাছ-মুরগি ধরে খাবে? চিলও এখন কাকের মতো ডাস্টবিন থেকে খাবার খায়।"
কিন্তু ওষুধটার নাম যেন কী? আসাদুল হক প্রাণপণে চেষ্টা করেন স্মরণ করার।
বাইরে একটা গাড়ি হর্ন দেয়। আলী সুজা ঘড়ি দেখেন। বলেন, "হাই লোকটা পাংচুয়াল আছে রে। একেবারে ঘড়ির কাঁটা ধরে হাজির।"
আসাদুল হক চেষ্টা করেন ভাবনা গোপন রাখতে। আনিসুল হাই আসলেই সময়ানুবর্তী। সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে উপস্থিত থাকার ব্যাপারটা সে আয়ত্ব করেছে ভালো। বছর কুড়ি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, ছেলেটা শাইন করবে।
দারোয়ান ঘড় ঘড় করে বাড়ির দরজা খুলে দেয়, মসৃণ গুঞ্জন তুলে ভেতরে ঢুকে পড়ে একটা গাড়ি। ওরা আজকাল ভালোই গাড়ি দিচ্ছে অফিস থেকে, ভাবেন আসাদুল হক। আগে ভারতীয় গাড়িতে চড়তো হাই। এখন জাপানি গাড়ি পেয়েছে মনে হচ্ছে।
আলী সুজা উঠে গিয়ে বারান্দা থেকে উঁকি দেন। ফিরে এসে বলেন, "হুঁ। অ্যালিয়ন।"
আসাদুল হক ক্লান্তি বোধ করেন। এ কেমন অভিশাপ? গোপনে একটু চিন্তারও অবকাশ মিলবে না এই শেষ সময়ে এ্সে? সবাই যদি মনের সব কথা জেনে যায়, কীভাবে হবে?
সিঁড়িতে মৃদু পায়ের শব্দ শোনা যায়। আসাদুল হক নিজেকে প্রবোধ দেন, কথোপকথনের সময় গভীর চিন্তা করা যাবে না। অল্প কয়েকটা কথাই তো। হাইকে ফোনেই জানিয়েছিলেন তিনি, দশ মিনিটের বেশি সময় তিনি প্রার্থনা করেন না। বুদ্ধিমান হাই নিশ্চয়ই সাক্ষাতের একাদশ মিনিটের যন্ত্রণা থেকে তাঁকে রেহাই দেবে।
আনিসুল হাইয়ের মোটাসোটা হাসিমুখটা দেখে দুর্বল একটা হাত তুলে নাড়েন তিনি। বারান্দা দিয়ে থপথপ করে এগিয়ে আসছে লোকটা। বেশ সুখী, পরিতৃপ্ত হাসিমুখ।
খালি চেয়ারটার দিকে ইঙ্গিত করেন আসাদুল হক, "কেমন আছো হাই?"
আনিসুল হাই মিষ্টি করে হাসে। "এই তো আসাদ ভাই। শরীরটা একটু খারাপ, জ্বর, সামান্য কাশি। আপনি কেমন আছেন? সুজা ভাই, ভালো আছেন আপনি?"
আলী সুজা ঘোঁৎ করে বলে, "আছি রে ভাই। নানা যন্ত্রণা। বুঝতেই তো পারো।"
আসাদুল হক পুরনো রসিকতা করার চেষ্টা করেন, "হাই চলে এসেছে।"
আলী সুজা নিজের অজান্তেই একটা হাই তুলে ফেলেন, তারপর অর্ধেক হাসি অর্ধেক ধমকের সুরে বলেন, "উফফফ, এই পুরনো ক্লিশে ভাঁড়ামোটা না করলে হয় না?"
আনিসুল হাই হাসতে হাসতে বলে, "একটু পরেই আবার হাই উঠবে।"
আসাদুল হক ভাবেন, হ্যাঁ, দশ মিনিট।
আনিসুল হাই একটু থতমত খেয়ে বলে, "জ্বি, দশ মিনিটই। বলেন আসাদ ভাই। কী অবস্থা?"
আসাদুল হক মনে মনে মাথা নাড়েন। হচ্ছে না। বেরিয়ে যাচ্ছে সব।
"তোমার ঐ উপন্যাসটা কেমন চলছে হাই? ঐ যে, মামা?" দুর্বল কণ্ঠে বলেন তিনি।
আনিসুল হাই সন্তুষ্ট মুখে মাথা ঝাঁকায়। "জ্বি আসাদ ভাই, চলছে আর কি। করাচি থেকে ইংরেজি আর উর্দুতে বের হবে। আমি মোটে ফিরলাম করাচি থেকে।"
আসাদুল হক আনিসুল হাইয়ের মুখটা দেখেন মন দিয়ে। হাই কী ভাবছে কে জানে। তার মুখে একটা হাসির মুখোশ পরা। আড়ালে তার ভাবনা বোঝার উপায় নেই।
"পত্রিকাতে পড়লাম তোমার লেখায়। মাঝে মধ্যেই পড়ি।" আসাদুল হক একটু নড়ে চড়ে বসেন। "বইমেলায় খুব চলছে বইটা, নাকি?"
আনিসুল হাই হাসে। মুখোশে ঢাকা হাসি। "চলছে আর কি।"
আসাদুল হক সারা শরীরের শক্তি দিয়ে গোপনে ভাবেন, হাই কি ভাবছে, ওর বই নিয়ে আমি সিনেমা বানাবো? সেজন্যেই কি এতো বিনম্র সে?
আনিসুল হাইয়ের দিকে তাকিয়ে তিনি বোঝার চেষ্টা করেন, তাঁর ভাবনাটা গোপন রইলো কি না। হুঁ, এবার মনে হয় কাজ হয়েছে। হাই হাসি হাসি মুখ করে তাকিয়ে আছে কেবল, টি-টেবিলের নিচে অল্প অল্প পা ঝাঁকাচ্ছে।
"হাই, যে কারণে তোমাকে ডেকেছি। তুমি তো জানো ... আমার সময় তেমন নেই আর। আই উইল হ্যাভ টু লিভ প্রেটি সুন।"
আলী সুজা গলা খাঁকারি দেয়। আনিসুল হাই গম্ভীর মুখে বলে, "আসাদ ভাই, এ ধরনের কোনো কথা বলবেন না। আপনি আরো বহু বছর বাঁচবেন। এই ধরনের চিন্তাকেই প্রশ্রয় দেবেন না। মেন্স সানা ইন করপোরে সানো। সুস্থ দেহে সুস্থ মন।"
আসাদুল হক হাসিমুখে মাথা নাড়েন। "না হাই। সুস্থ দেহ নাই আর। আমার সময় প্রায় শেষ। এ কারণেই একটা অনুরোধ করতে তোমাকে ডাকলাম।"
আনিসুল হাই নড়েচড়ে বসে। "বলেন আসাদ ভাই।"
আসাদুল হক আনিসুল হাইয়ের চোখের দিকে তাকিয়ে বলেন, "হাই, আমি জানি, আমি মারা গেলে তুমি একটা স্মৃতিকথা লিখবে তোমার কলামটায়। ঐ যে, প্রতি রবিবারে যেইটা লেখো।"
আনিসুল হাই কাশে একটু। "জ্বি আসাদ ভাই।"
আসাদুল হক বড় একটা দম নিয়ে চর্চিত শীতল কণ্ঠে বলেন, "আমার অনুরোধ, তুমি তোমার ঐ মামা উপন্যাসটার বিজ্ঞাপন আমার স্মৃতিকথার ফাঁকে গুঁজে দিও না। ধান ভানতে শিবের গীত গেও না। সুজাকে আজকে এ কারণেই ডেকেছি, যাতে একজনকে সাক্ষী রেখে তোমাকে কথাটা বলতে পারি। ও আমার আগে মরে গেলে অবশ্য সমস্যা। যাই হোক, হ্যাভ ইউ গট মাই পয়েন্ট?"
আনিসুল হাইয়ের মুখটা সামান্য কালো হয়ে যায়, "জ্বি আসাদ ভাই।"
আসাদুল হক বলেন, "আমি তোমাকে আঘাত দিতে চাই না। কিন্তু মরা মানুষের কান্ধে পাড়া দিয়ে নিজের মামা উপন্যাসটার ঢোল বাজিও না। ইফ ইউ নিড এনি সর্ট অব হেল্প টু গেট ইট অ্যাডভার্টাইজড, সুজা আছে এখানে, ওকে বোলো, হি উইল টেইক গুড কেয়ার অভ দ্যাট। ঠিক আছে না?"
আনিসুল হাই মনমরা হয়ে কাশতে কাশতে বলে, "ঠিক আছে আসাদ ভাই।"
আসাদুল হক বলেন, "তোমার ছেলেটা কেমন আছে?"
আনিসুল হাই মুখ কালো করে রেখেই বলে, "জ্বি, আছে ভালো। আপনার খুব ফ্যান।"
আসাদুল হক আকাশে চক্কর কাটতে থাকা চিলগুলোর দিকে তাকিয়ে বলেন, "ঠিক আছে হাই। তুমি ব্যস্ত মানুষ। তার ওপর অসুস্থ। তোমাকে আর বিরক্ত করবো না আজ।"
আনিসুল হাই উঠে পড়ে। আলী সুজা তাকে এগিয়ে দিতে ওঠে।
ওষুধটার নাম যেন কী? আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকেন আসাদুল হক। মনে পড়ছে না কিছুতেই।
নিচে গাড়ির এনজিনের গুঞ্জন শুনতে পান তিনি। সুজা আর হাই কথা বলছে, কী কথা বলছে শোনা যাচ্ছে না স্পষ্ট।
আসাদুল হক আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, সেই সাথে বিদ্যুচ্চমকের মতো ওষুধটার নাম তাঁর মনে পড়ে গেলো।
ত্রস্ত পায়ে এগিয়ে বারান্দার রেলিঙের সামনে ঝুঁকে পড়ে গলা চড়িয়ে ডাকলেন তিনি, "হাই! হাই, শোনো!"
আনিসুল হাই মুখ তুলে তাকায়।
আসাদুল হক বলেন, "ডাইক্লোফেনাক! ডাইক্লোফেনাক খেও হাই! তোমার না জ্বর? কাশি? ডাইক্লোফেনাক খেও!"

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।