Wednesday, December 14, 2011

নাদের আলি, আমরা আর কত বড় হবো?




অবসরপ্রাপ্ত পাকি লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদের আলির একটি আর্টিকেল দৈনিক প্রথম আলোতে অনুবাদ করেছেন বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর ইসফাক ইলাহী চৌধুরী। গত বারোই ডিসেম্বর লেখাটি [১] সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হয়।
নাদের আলি অবশ্য সচলায়তনের পাঠকদের কাছে নতুন কোনো নাম নয়। সচল সাঈদ আহমেদ তাঁর একটি লেখায় [২] এ বছরের সতেরোই মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি ওয়ার্কশপে নাদের আলির নিজের বর্ণনা তুলে ধরেন। প্রথম আলোতে প্রকাশিত অনূদিত লেখাটিতে যা বক্তব্য, সেই একই কথা নাদের আলী সেখানে বলেছিলেন। এ বছরের ২০ মার্চ দৈনিক সমকালে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারেও [৩] তিনি প্রায় একই বক্তব্য দিয়েছিলেন।
কর্নেল (অব.) নাদের আলির বক্তব্যের চমক একটি জায়গাতেই, তিনি ১৯৭১ এ গণহত্যায় অংশগ্রহণকারী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন অফিসার হিসেবে বাংলাদেশীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। যুদ্ধে অংশ নেয়া অন্য কোনো পাকিস্তানী অফিসারদের কাছ থেকে গণহত্যার দায় স্বীকার করে এ ধরনের ক্ষমা প্রার্থনা আগে সম্ভবত আসেনি। দুয়েকজন পাকিস্তানী অফিসার এই গণহত্যায় অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে শাস্তির মুখোমুখি হয়েছিলেন, কিন্তু সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী আর কেউ ক্ষমা চায়নি।
আলি নিজেকে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর অফিসার হিসেবে দোষী বলে স্বীকার করছেন, কিন্তু তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনো নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা বা অত্যাচার করেননি। তাঁর দায় বাহিনীর অংশ হিসেবে বাহিনীর অপরাধের দায় পর্যন্তই। যুদ্ধের কিছু পরিস্থিতির বর্ণনা তিনি দিয়েছেন, সেখানে তাঁর সহকর্মীদের কীর্তিকলাপের কিছু নমুনা তুলে ধরা হয়েছে।
কর্নেল আলির এই ক্ষমাপ্রার্থনাবাচক লেখাটিকে সাঈদ আহমেদ উল্লেখিত ওয়ার্কশপের লিখিত বক্তৃতার স্ক্রিপ্টের অনুবাদ বলেই মনে হয়। ডিসেম্বর মাসে আলি স্বতপ্রণোদিত হয়ে আবার নতুন করে একে ডেইলি স্টার বা প্রথম আলোতে পাঠিয়েছেন কি না, আমি জানি না। যদি পুরনো লেখারই অনুবাদ হয়ে থাকে, যদি তারা ডিসেম্বর মাসে মিডিয়ার মুক্তিযুদ্ধ মৌসুমে লেখাটিকে সমাধি থেকে তুলে এনে ছাপিয়ে থাকে, তাহলে আমাদের ধরে নিতে হবে, ১৯৭১ এর জন্যে পাকিস্তানিরা অনুতপ্ত, এমন একটি আবহ এই পত্রিকাটি তৈরি করতে চাইছে। এই চেষ্টা নতুন কিছু নয়, মেহেরজান শিরোনামের চরম জঘন্য একটি চলচ্চিত্রের নির্লজ্জ প্রোমোটিঙের কাজে তারা ঘরোয়া ও পোষা বুদ্ধিজীবীদের দিয়ে "পাকিরাউ ভালু" প্রোপাগাণ্ডা চালিয়ে আসছে বছরের শুরু থেকেই। পাকিরাউ ভালু, তার সাথে আলু --- এই অনুচ্চারিত স্লোগানকে আমরা মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন প্রবন্ধ আর খবরের মাঝে বিভিন্ন লাইনের ফাঁকফোকরে ছায়া-বক্তব্য হিসেবে দেখি।
কর্নেল নাদির আলি সমকালকে দেয়া সাক্ষাৎকারে [৩] জানাচ্ছেন, তিনি যখন একাত্তরের এপ্রিলে যুদ্ধে নামেন, তখন তিনি তরুণ, ক্যাপ্টেন থেকে মেজর পদে উন্নীত হয়েছেন কেবল। প্রথম আলোকে দেয়া সাক্ষাৎকারে [১] তিনি বলছেন, একাত্তরের সেপ্টেম্বরের শেষে তিনি কর্নেল (লেফটেন্যান্ট কর্নেল) পদে উন্নীত হন। আর সব সাক্ষাৎকারেই তিনি বলছেন, তিনি কোনো গণহত্যায় অংশগ্রহণ করেননি, নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা বা অত্যাচার করেননি।
হয়তো কর্নেল আলি সত্য কথাই বলছেন, কিন্তু আমার বিনীত জিজ্ঞাসা, কমাণ্ডো বাহিনীর অধিনায়ক হয়ে কোনো গণহত্যা বা নিরস্ত্র মানুষ হত্যা/অত্যাচার থেকে বিরত থেকে, কী করে তিনি মেজর থেকে চটজলদি লেফটেন্যান্ট কর্নেলে পদোন্নতি পেলেন? পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে পাঞ্জাবি অফিসারদের পদোন্নতি একটু তাড়াতাড়িই হতো এবং এখনও হয়, কিন্তু তাই বলে এতো দ্রুত? ঊর্ধ্বতনদের দেয়া গণহত্যার আদেশের প্রতিবাদ করতেন বলে আলি জানিয়েছেন, সাঈদ আহমেদের লেখা [২] থেকে আমরা জানি, একদিন তিনি প্রতিবাদ জানাতে ধুতি পরেও কর্মস্থলে হাজির হয়েছিলেন। এইসব করে কি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে ১৯৭১ এ মেজর থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে প্রমোশন পাওয়া সম্ভব?
আমি সংকোচ ছাড়াই বলতে চাই, কর্নেল আলির কথা আমি বিশ্বাস করি না। আমি মনে করি, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অংশ হিসেবে তিনিও গণহত্যায় অংশ নিয়েছিলেন। এই কথা স্বীকার করলে হয়তো তাঁর সমস্যা হতে পারে, কিংবা তিনি নিজের মানসিক শান্তির জন্যেই হয়তো এই আত্মপ্রবঞ্চনামূলক ফ্যান্টাসিকে সত্য বলে জানছেন। তাঁর ক্ষমাপ্রার্থনার আন্তরিকতা নিয়ে আমি কোনো প্রশ্ন তুলছি না, কিন্তু নিজেকে গণহত্যা থেকে বিযুক্ত একজন অফিসার হিসেবে যেভাবে তিনি উপস্থাপন করছেন, সেটি সঠিক নয় বলে আমি মনে করি। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিকথায় আমরা তাঁর ইউনিটের কীর্তিকলাপ সম্পর্কে অবগত হতে পারবো হয়তো।
কর্নেল আলি দাবি করছেন, তিনি পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত গণহত্যা দেখে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে ফেরার পর পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন, স্কিটসোফ্রিনিয়ায় আক্রান্ত হন এবং ১৯৭৩ সালে মানসিক প্রতিবন্ধী হিসেবে সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি পান। এর পর তিনি নিজেকে একজন কবি ও গল্পকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ধীরে ধীরে।
কর্নেল আলির প্রতি আমার আরো একটি বিনীত জিজ্ঞাসা, আপনি এই চারটি দশক কোথায় ছিলেন? সমকালের সাক্ষাৎকার [৩] থেকে জানতে পারি, ২০০৭ সালে তিনি বিবিসি উর্দু সার্ভিসে পূর্ব পাকিস্তানের গণহত্যার বিবরণ তুলে ধরেন। এর আগে তিনি এ বিষয়ে সোচ্চার হয়েছেন বলে আর কিছু আমরা জানতে পারি না।
তাহলে কি ধরে নেবো, পাকিস্তানে জিয়াউল হক আর বাংলাদেশে জিয়াউর রহমান-এরশাদের শাসনামলে এ নিয়ে কথা বলার কোনো প্রয়োজন অনুভব করেননি এই পাঞ্জাবি কবি ও গল্পকার? পাকিস্তানে বেনজীর ভূট্টো আর বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার শাসনামলেও তিনি মুখ খোলার দরকার মনে করেননি? পাকিস্তানে নওয়াজ শরীফ আর বাংলাদেশে শেখ হাসিনার আমলেও তিনি মুখ খোলার সাহস পাননি? পাকিস্তানে পারভেজ মুশাররফ আর বাংলাদেশে খালেদা জিয়া-নিজামীর শাসনামলেও তিনি মুখ খোলা সমীচীন মনে করেননি? তিনি সোচ্চার হলেন কেবল মুশাররফের ক্ষমতার অস্তগমনের সময়, ২০০৭ এ এসে, যখন বাংলাদেশে গদি থেকে আলির একসময়ের যুদ্ধ-ময়দানের সহায়তাকারীরা নেমে পড়েছে?
কিংবা হয়তো খামোকাই এই প্রশ্ন করছি আমি। পাঞ্জাবে হয়তো শুধু কবি আর গল্পকারের চাহিদাই আছে, নিজেদের অপরাধ নিয়ে কথা বলার মানুষের চাহিদা নেই। পাঞ্জাবিরাই তো বালুচিস্তান আর বাংলাদেশের কসাই টিক্কা খানকে নিজেদের গভর্নর হিসেবে পেয়েছিলো। কর্নেল আলি বলছেন, পাঞ্জাবে নাকি আরো বহু মানুষ তাঁর মতোই লজ্জিত। এই লজ্জিত মানুষগুলিকে খুঁজে বের করতে না পেরে সেই কুমীরশাবকের মতো কয়েকটি মুখকেই বাংলাদেশের মানুষদের সামনে তুলে ধরার মহান মিশনে নেমেছে উটপাখির আদর্শে বলীয়ান প্রথম আলো। তারা কখনও আসমা জাহাঙ্গীর, কখনও হামিদ মির, কখনও নাদের আলিদের খুঁজে এনে দুঃখ প্রকাশের লেখা ছাপায়, ক্ষমা প্রার্থনার লেখা ছাপায়। আর বলতে চায়, পাকিরাউ ভালু। এই পাকিরাউ ভালু ছায়া-স্লোগানের নিচে আড়াল হয়ে যায় ক্রমাগত রাষ্ট্রীয় ক্ষমা প্রার্থনায় অস্বীকৃতি জানিয়ে আসা পাকিস্তান রাষ্ট্রের চেহারা। প্রথম আলোর উটপাখি চোখে ধরা পড়ে না যা, তা ছাপা হয় দৈনিক সমকালে, ১৫ মে, ২০১০ সালের খবরে [৪]।
পাকিস্তানের অন্তর্জ্বালা!
মুক্তিযোদ্ধাদের নামে গুলশানে দুটি রাস্তার নামকরণের প্রতিবাদ জানিয়েছিল ইসলামাবাদ
আবদুল মজিদ
গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশন সংলগ্ন দুটি সড়কের নামকরণ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে হওয়ায় পাকিস্তানের দারুণ গাত্রদাহ হয়েছে। অন্তর্জ্বালা অন্তরে না রেখে ইসলামাবাদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামে রাস্তার নামকরণের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ পর্যন্ত জানিয়েছে। পাকিস্তান মনে করে এটি বাংলাদেশের 'উদ্দেশ্যমূলক ও উস্কানিমূলক' কাজ। পাকিস্তান ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর প্রতিবাদ জানালেও দুই দেশের সরকার এতদিন তা গোপন রেখেছিল। সে সময় ইসলামাবাদে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনারকে তলব করে প্রতিবাদপত্র হস্তান্তর করে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আমরা অনুভব করি, পাকিস্তান রাষ্ট্রের মনোভঙ্গি ১৯৭১ থেকে এক চুল পরিবর্তন ঘটেনি। একটা দুইটা নাদের আলি ক্ষমা চাইতে পারে, সেই ক্ষমা প্রার্থনাকে আমরা স্বাগতও জানাবো, কিন্তু সেই ক্ষমা প্রার্থনার গণ্ডি নিতান্তই ব্যক্তির পরিসরে সীমাবদ্ধ। প্রথম আলো চায় পাকিস্তানকেই নাদের আলি হিসেবে উপস্থাপন করতে। আমরা নাদের আলির মধ্যে পাকিস্তানকে দেখতে পাই না, শুধু নাদের আলিকেই দেখি।
দৈনিক সমকালে দেয়া সাক্ষাৎকারে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তাদের বিচারের বিষয়ে কর্নেল আলির পাকিস্তানি সেনাকর্তার পরিচয়টি কবি ও গল্পকারের চামড়া খুলে বেরিয়ে এসেছে। পত্রিকার ভাষায় [৩],
পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করতে গেলে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সদস্যদের বিচারের বিষয়টি সামনে আসবে উল্লেখ করায় সাবেক কমান্ডো কর্নেল এ ব্যাপারে সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, অভিযুক্ত অনেকেই এখন মৃত। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তার জানা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে তিনি সে সময়ের ঘটনাবলির জন্য পাকিস্তান সরকারের আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করা উচিত বলে মনে করেন।
অর্থাৎ, নাদের আলির চোখে পৃথিবীতে শুধু গণহত্যা চলতে পারে, আর সেই গণহত্যার জন্যে ক্ষমাপ্রার্থনা চলতে পারে, অপরাধীদের বিচারের স্থান নাদের আলির বিবেচনায় নেই। আমাদের উটপাখি দৈনিকটিও পাকিস্তানের দুঃখী চেহারাটিকেই নাদের আলি-হামিদ মিরদের ডেকে এনে বড় করে দেখাতে আগ্রহী, তার ক্ষমা প্রার্থনায় অনাগ্রহী বিচারে বিরোধী চেহারাটিকে আড়ালে রেখে।
আর লেখার মাঝে কর্নেল আলি মৃদু কিন্তু পরিষ্কারভাবে দাবি করেছেন, বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা বাড়িয়ে বলা হয়। কর্নেল আলির দেশের লোকজন হামুদুর রহমান কমিশন নামে এক হাস্যকর চ্যাটের বালের কমিশন গঠন করে মৃতের সংখ্যা নিরূপণ করেছিলো মাত্র ছাব্বিশ হাজার, যেখানে কেবল পঁচিশে মার্চের ক্র্যাকডাউনেই মৃতের সংখ্যা পঁয়ত্রিশ থেকে ষাট হাজারের মধ্যে হবে বলে অনুমান করেন বিদেশী সাংবাদিকসহ ঢাকাবাসীরা। হামুদুর রহমান কমিশন যখন কাজ চালায়, তখন টিক্কা খান ছিলো পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, কমিশন টিক্কার নামে কোনো অভিযোগই তোলার সাহস পায়নি। কর্নেল নাদের আলিরা বাংলাদেশে এসে বাংলাদেশীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার সঙ্গে বলতে চায়, গণহত্যায় নিহতের সংখ্যার হিসাব আমাদেরটা ভুল, তাদেরটা ঠিক।
ব্যক্তিগতভাবে, কর্নেল আলি, আপনাকে আমি ক্ষমা করছি না। আপনি বাংলাদেশে সভা-সেমিনার কম করে সেগুলো পাকিস্তানে বেশি করুন, পাকিস্তানের বর্তমান প্রজন্মকে জানান পাকিস্তানের অতীত অপকর্মের কথা। আপনি পাঞ্জাবের কবি, ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত পাঞ্জাব বাংলাকে অর্থনৈতিকভাবে চুষে খেয়েছে, তার জন্যে পাঞ্জাবিদের লজ্জিত হতে উদ্বুদ্ধ করুন। পাকিস্তান আমাদের কাছে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ক্ষমা প্রার্থনা করুক, আমাদের ক্ষতিপূরণ দিক, যুদ্ধাপরাধী সেনাকর্তা ও যুদ্ধে মদদ দানকারী বেসামরিক আমলাদের বিচার করুক, তারপর কর্নেল সাহেব, আমরা বিবেচনা করে দেখবো, আপনাদের ক্ষমা করা যায় কি না।
আমার এই লেখাটি শেষ করছি কবি ফয়েজ আহমদ ফয়েজের কবিতার কয়েকটি লাইনের ওপর মূত্রত্যাগ করে:
কব নজর মেঁ আয়েগি সবজকি বাহার
খুঁন কে দাঁগে ধুলায়ে তো কিতনা বারসাতোঁ কে বাদ
হামকো কাহতে তেরে আজনাবি ইতনি মুলাকাত কে বাদ।’
এই লাইনগুলো আপনি বা দৈনিক প্রথম আলো বা মেহেরজান, আপনারা যতবারই উর্দু-বাংলা-ইংরেজিতে আওড়ান না কেন, লাভ নাই। কবিতা আউড়ে হাত থেকে রক্তের দাগ মোছা যায় না। আপনি আমাদের বড় হতে বলছেন কর্নেল সাহেব, বলছেন আসুন সব ভুলে একে অন্যের পাশে দাঁড়াই, কিন্তু আমরা আর কত বড় হবো? আপনাদের আগে মানুষ হতে হবে।

তথ্যসূত্র:

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।