Thursday, December 01, 2011

মসজিদের ইমামকে নোটারির স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে কেন?

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের লণ্ডন হাই কমিশনে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করতে গেলে চার কপি ছবি জমা দিতে হয়, যার এক কপি সত্যায়িত হতে হয়। সেই সত্যায়নের এখতিয়ার ফর্মে উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে যাদের, তারা হলেন:

 ১. কাউন্সিলর
২. মসজিদের ইমাম
৩. জেনারেল প্র্যাকটিশনার
৪. সলিসিটর

 এই হচ্ছে ফর্ম, দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় এর উল্লেখ রয়েছে।



 



 মসজিদের ইমামকে এই নোটারি ক্ষমতা বাংলাদেশের লণ্ডনস্থ হাই কমিশনই দিচ্ছে, নাকি অন্য দেশগুলোতে বাংলাদেশের দূতাবাসেও একই চর্চা চলছে, জানার জন্যে জার্মানি, কানাডা আর অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাসে গিয়ে সেখানকার পাসপোর্ট নবায়নের ফর্মগুলো দেখলাম। কোথাও ছবি সত্যায়িত করার হাঙ্গামার কথাই বলা নেই।

 মসজিদের ইমাম প্রবাসে নাগরিকের ধর্ম চর্চায় হয়তো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন, কিন্তু তাঁকে নোটারির স্বীকৃতি হাই কমিশন কেন দেবে? হাই কমিশনের কাছে কি নিবন্ধিত ইমামের তালিকা থাকে? ইমামরা কি হাই কমিশনে বা লণ্ডনের সিটি করপোরেশনে কমিশনার অফ ওথ হিসেবে নথিভুক্ত হন? ইমামদের কি কোনো আইনী যোগ্যতা আছে কোনো দলিল সত্যায়িত করার?

আমলাতান্ত্রিক নথি প্রক্রিয়াকরণে মসজিদের ইমামদের লণ্ডন ছাড়া অন্য কোনো হাই কমিশন বা দূতাবাসে সংশ্লিষ্ট করা হয়েছে কি না, আমি জানি না। পাঠক যদি জেনে থাকেন, ফর্মের কপিসহ একটু মন্তব্যে জানান।

আর এই জিজ্ঞাসাটি হাই কমিশনের কাছে পৌঁছাবে, সেই আশায় রইলাম।


No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।