Saturday, November 05, 2011

আমিও রাজনীতি বিশ্লেষণ করতে পারি, হুঁহুঁ


আমার পাকি রুমমেটের সাথে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ হচ্ছিলো। ইমরান খান সম্প্রতি পাকিস্তানের ভোটের রাজনীতিতে নিজেকে একটা জোরালো চলক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন, লাহোরে তার ডাকা সমাবেশে নাকি প্রায় চার লক্ষ লোক সমবেত হয়েছিলো, ইতিমধ্যে পাঞ্জাবের তৃতীয় প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে তিনি মাথা তুলেছেন, উত্তরপশ্চিম সীমান্তপ্রদেশেও তিনি বেশ জনপ্রিয়, ইত্যাদি শুনছিলাম। সৈয়দ আবার ইমরান খানের বেজায় ভক্ত। তাকে সেনাবাহিনী আর আমলাতন্ত্র নিয়ে কিছু কথা জিজ্ঞেস করতেই বেচারা ব্যাজার হয়ে গেলো। তবে আরো যেটা জানলাম, ইমরানের এই উত্থানকে স্বাগত জানাচ্ছে পাকিস্তানের মিডিয়া।

আমাদের দেশের সবচেয়ে প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোর কথা মনে পড়ে গেলো। প্রথম আলো কয়েক বছর ধরেই বদলে দিতে আর বদলে যেতে বলছে, আর সম্প্রতি বেশ পরিষ্কার সুরেই প্রথম আলো গোষ্ঠীর লেখকেরা একটি কার্যকর "তৃতীয় শক্তি"র কথা বলছেন। আওয়ামী লীগ আর বিএনপি, এই দুই শক্তি যে একই বিষ্ঠার দুটি পিঠ, এমন একটি কথা ঠারেঠোরে বলছেন অনেকে। প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতেও দেখলাম অনেক স্বপ্নের কথা রয়েছে। মিডিয়া যখন স্বপ্ন দেখায়, তখন সাধারণত তার পেছনে অন্য অনেক কিছু থাকে। পাকিস্তানে ইমরান খানের রাজনৈতিক উত্থান (ইমরান রাজনীতিতে বহুদিন ধরেই আছে, কিন্তু এবার সে দারুণ সাড়া পেয়েছে, আশরাফুল পার্টি খুলে বিপুল লোকজনকে পাশে পেলে যেমনটা হবে আর কি) আর বাংলাদেশে তৃতীয় শক্তির সন্ধানে প্রথম আলোতে গ্যানীগুণী লোকজনের কুম্ভীরাশ্রুস্রোতের মধ্যে কেমন যেন একটা মিল পাই।

ইমরানের প্রতিশ্রুতির দুটি প্রধান ধারা। তিনি দুর্নীতি সমূলে উৎপাটন করবেন এবং এর জন্যে চীনের অনুসরণে দুর্নীতির জন্যে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করবেন। এই জিনিস দারুণ হিট করেছে পাঞ্জাবে। মিনার-এ-পাকিস্তানের চারপাশে বাচ্চা কোলে মহিলারা পর্যন্ত জড়ো হয়েছেন। নওয়াজ শরিফ আর জারদারি, দুজনেই ইমরানকে নিয়ে তাই বিপদে। ইমরানের দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি, তিনি এই পুরনো দুটি দুর্নীতিবাজ দলের সাথে কোনো রকম জোট করবেন না। এতে পাবলিক আরো উল্লসিত। ইমরান বরাবরই পাকিস্তানে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব, কিন্তু তার রাজনৈতিক ভোল্টেজ আগে তেমন ছিলো না, এবার তিনি একেবারে জ্বলে উঠেছেন আপন শক্তিতে।

আমেরিকার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই চান ইমরান। আমেরিকাও চায় আফগানিস্তানে নিজেদের পরাজিত ইমেজটি ঢেকেঢুকে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে। ইমরান লাহোরের ঐ সমাবেশ করার পরপরই চীন চারদিনের সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইমরানকে। আমেরিকা আফগানিস্তান আর পাকিস্তানে নিজেদের লেজটি গোবরমাখা করেছে চীন যাতে বেলুচিস্তানের গোয়াদর বন্দরটির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারে, সে মতলবে, সৈয়দের তেমনি ধারণা। আমেরিকা তাই চায় না, চীনের সাথে ইমরানের আলাদা কোনো পিৎলা খাতির হোক। ইমরান বলছেন, আমি আমেরিকার দোস্তি চাই, কিন্তু তার খেদমত খাটতে চাই না।

আবারও বাংলাদেশের কথা মনে পড়ে গেলো। ইমরানের মতোই কাউকে খুঁজছে হয়তো প্রথম আলো, যাকে শিখণ্ডী করে দুর্নীতি নিয়ে বিরক্ত মানুষেরা তৃতীয় শক্তির ছায়া খুঁজবেন। সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রথম আলো এই দুই দলকে শুরুর কয়েক মাস খুব ধুয়েছিলো, শেষদিকে এসে আবার মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে সব ম্যানেজ করে নিয়েছে। তখন আমাদের নোবেলপতি ড. ইউনূসের নাগরিক শক্তিকেই তৃতীয় শক্তি হিসেবে মাঠে নামাতে চাইছিলেন কেউ কেউ, প্রথম আলো আর ডেইলি স্টারের সেই মাতম চিরস্মরণীয়। দূরদর্শী ড. ইউনূস শুরুতে পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় গ্রামীণ ব্যাঙ্ক মডেলে কুড়িজনের "ডাগদর ইউনূস সমর্থক গোষ্ঠী" খোলার আহ্বান জানালেও, পরে হালে পানি মেপে সেযাত্রা রাজনীতির ম্যারাথন থেকে কেটে পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। কয়েকদিন আগে দেখলাম ইউনূস সাহেবের ছোট ভাই মিডিয়া বিশ্লেষক মুহম্মদ জাহাঙ্গীর সেই নাগরিক শক্তির মডেলটিকেই রিপ্যাকেজিং করে "যুব শক্তি" নাম দিয়ে সংগঠিত হতে বলছেন। তবে এবার ইউনূস সাহেবের নাম খুব সাবধানে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবর্তে জাহাঙ্গীর সাহেব প্রস্তাব করেছেন, কচি কচি যুবকেরা মিলে একটি কচি সংসদ গঠন করবেন এবং ভোট দিয়ে বুড়োদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করবেন। প্রবাসীরা যাতে বঞ্চিত না হন, তাই তাদেরও রাখা হবে এসবে। মন বলছে, ইউনূস সাহেব নাগরিক শক্তি দিয়ে মানুষের মন জয় করতে না পারলেও, যুব শক্তির উপদেষ্টা হিসেবে জরুর পারবেন।

কিন্তু এ কথা সত্য, আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দল দু'টির প্রতি মানুষের হতাশা ক্রমবর্ধমান। পাকিস্তানের রাজনীতিতে যদিও পিপিপি আর মুসলিম লীগ বাদেও শক্তিশালী দল রয়েছে, কিন্তু মডেলটা কম বেশি একই রকম। পাকিস্তানে ইমরান ময়দানে নেমে পড়েছেন, বাংলাদেশে আপাতত কোন ইমরান দাঁড় করানো যাচ্ছে না। মিডিয়া কথাবার্তা বলে মাদুর গরম রাখছে। সেদিন হয়তো আর বেশি দূরে নয়, যেদিন ইমরানের বাংলাদেশ সংস্করণকে আমরা ময়দানে পাবো।

বাংলাদেশের মানুষ রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর হতাশ কেন? কেবল দুর্নীতির জন্য? দুর্নীতি তো একা রাজনীতিকরা করে না, আমলাতন্ত্র, ব্যবসায়ী, মিডিয়া, সবাই তাতে কমবেশি জড়িত। শুধু নতুন একটা রাজনৈতিক দল, একটা তৃতীয় শক্তি চলে এলেই কি দুর্নীতিবাজ আমলা, ব্যবসায়ী, সম্পাদকেরা সাধু হয়ে যাবেন? দেশ ফুলে ফলে ছেয়ে যাবে? তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি জরুরি, এ কথা অনস্বীকার্য, কিন্তু একটা দ্বিতীয় আমলা শক্তির জন্যে মিডিয়া কেন কাঁদে না, দ্বিতীয় ব্যবসায়ী শক্তির জন্যে কেন মাতম নেই, দ্বিতীয় মিডিয়া শক্তি কেন জরুরি নয় মিডিয়ার চোখে? দুর্নীতির প্রবলযন্ত্রটির কলকব্জা সব এক রেখে, শুধু চেহারা পাল্টে কি দেশ পাল্টানো যাবে?

বাংলাদেশের মানুষ হতাশ, কারণ রাজনীতিকরা মানুষের প্রায়োরিটি বুঝতে অপারগ। সারাদিন কাজ করে পরিশ্রান্ত মানুষ অল্প কিছু জিনিস চায়, সে একটা জ্যামহীন রাস্তায় দ্রুত বাড়ি ফিরতে চায়, বাড়ি ফিরে একটু ফ্যানের বাতাস খেতে চায়, বাজার থেকে যথাযথ দামে জিনিসপত্র কিনে ছিনতাইকারীর মুখোমুখি না হয়েই ঘরের দোরের সামনে রিকশা থেকে নামতে চায়। এরচেয়ে বেশি কিছু চেয়ে লোকে ভোট দিয়ে সরকার পরিবর্তন করে না। কিন্তু এই জিনিসগুলো যখন মানুষ পায় না, কাটা ঘায়ে লবণ পড়ে, যখন তারা তাদের ক্ষোভের প্রতিনিধিত্ব করার জন্যে কোনো রাজনীতিক বা রাজনৈতিক দলকেও পায় না। তারা দেখে, খালেদা জিয়া নিজের বাড়ির জন্য হরতাল ডাকে, আর শেখ হাসিনা আড়িয়ল বিলে এয়ারপোর্ট করতে চায়। ট্রাফিক জ্যাম, ইলেকট্রিসিটি, দ্রব্যমূল্য, নিরাপত্তা, এসব জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো অভিভাবকশূন্য হয়ে পড়ে থাকে। তৃতীয় কেন, একশো একটা শক্তি আসুক, কোনো লাভ নেই, যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষ সংবিধানের ঐ ধারাটির মর্ম না বুঝবে, যে দেশের সব কিছুর মালিক দেশের মানুষ। জাহাঙ্গীরের মতো যারা হরতাল-মিছিলবিহীন সুশীল রাজনৈতিক দলের কথা বলেন, তারা ইয়োরোপের হরতাল মিছিলগুলো দেখেননি, বা দেখলেও না জানার ভান করেন। এখানে মানুষ নিজেকে রাষ্ট্রের মালিকদের একজন বলে ভাবতে অভ্যস্ত, নিজের ন্যায্য পাওনাটুকু তারা এত জোরালোভাবে দাবি করে আদায় করে ছাড়ে, যার প্রায় প্রতিটি উদাহরণই তীব্র। আমরাই কেবল নিজেদের মনের মধ্যে একটা মিছিলমুক্ত রাজনৈতিক ইউটোপিয়া কল্পনা করে মনকলা খাই।

একটা আইডিয়ার কথা বলে শেষ করি।

মাঝখানে খবরে দেখেছিলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক কিছু সংগঠন নাকি রয়েছে। তারা আবার নিজেদের মধ্যে কিলাকিলিও করে। এই কিল বাংলা থেকে মাঝেমধ্যে ইংরেজির দিকেও মোড় নেয়ার উপক্রম হয়। প্রথমে পড়ে খুব হেসেছিলাম, কিন্তু অচিরেই ব্যাপারটার গুরুত্ব উপলব্ধি করে চুপ করে গেলাম। সংগঠন জন্মায় প্রয়োজনীয়তা থেকে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের বগিতে নিশ্চয়ই কিছু ব্যাপার আছে, যা এই সংগঠনের জন্ম দিয়েছে। চট্টগ্রাম আউলিয়াদের খাস এলাকা, মারফতি ব্যাপারস্যাপারের অভাব নেই।

এরপর কয়েকদিন দেখলাম, সড়ক পরিবহন শ্রমিক সংগঠন দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে অবরোধ করে বসেছে। মাসুদ-মুনীরসহ পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে যে ঘাতক বাসের আঘাতে, তার চালক জামিরকে কেন জামিন দেয়া হচ্ছে না, তার প্রতিবাদে। সেই অবরোধ যেন তেন অবরোধ নয়, এর পিলান করতে বিমানে উড়ে যশোরে গেছেন সংগঠনের নেতারা। অবরোধের সময় তারা অন্য যানবাহন ভেঙেছেন, চালকদের পেঁদিয়েছেন, এবং কুরবানি ঈদের পর আবার অবরোধ চালু করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। সংগঠনের নেতা মন্ত্রী শাজাহান বলে এই সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে সরকার কিছু করছে না। এর নেতা বিম্পির কেউ হলে এতদিনে সংগঠনের টপ লোকজনকে পিটিয়ে ছাতু করা হতো বলে অনেকের বিশ্বাস। যে সরকারের মন্ত্রীই দেশের পোয়াটাক অচল করে রাখায় নেতৃত্ব দেয়, সেই সরকারের ওপর মানুষের আস্থা বেশিদিন থাকার কথা নয়।

দুটো খবর এক করে ভেবে মনে হলো, আমাদের দেশে এত সংগঠন আছে, কিন্তু যাত্রীদের কোনো সংগঠন নেই কেন? ঢাকা শহরে প্রতিদিন ষাট-সত্তর লক্ষ কমিউটার পথে নামেন, এঁরা দিনের পর দিন পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের নানা কর্তৃপক্ষের নির্বিকার তাচ্ছিল্য ও সীমাহীন অব্যবস্থাপনা দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে চলছেন, প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল সংখ্যক বাসে গাদাগাদি করে গরু ছাগলের মতো চড়ছেন, হাতজোড় করে মিনতি করছেন নারাজ সিএনজিওয়ালার কাছে, কিন্তু একটি বারের জন্যেও নিজেরা সংগঠিত হয়ে আওয়াজ তুলছেন না। মেট্রো রেল আর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মুলা দেখানো হচ্ছে পাবলিককে, কিন্তু সবচেয়ে সহজ আর সস্তা বাস ড়্যাপিড ট্র্যানজিট কেন চালু করা হচ্ছে না? সংবিধানের কোন এক ধারায় যেন বলা আছে, জনগণ সকল সম্পত্তির মালিক। জনগণ নিজেদের সম্পত্তি থেকে কিছু পয়সা খরচ করে ঢাকায় আরো একশো (অথবা দুইশো) নতুন বাস কেনার জন্যে কেন সরকারকে চাপ দিচ্ছে না, কেন কেবল দিনের পর দিন নিজে ভুগে চলছে? জনগণ কি সারাটা জীবন খালি জামে আটকে থাকবে, ঈদের বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনের ছাদ থেকে ছিটকে পড়ে মরবে, আর গরু-ছাগল চিনতে ওস্তাদ ড্রাইভারদের চালানো বাসের তলে পড়ে মরবে? ঢাকার জামের আসল সমাধান গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি, তার কিছুই কি পাবলিক নিজেরা সংগঠিত হয়ে আদায় করতে পারবে না? শাজাহান খান পরিবহন শ্রমিকদের নিয়ে সংগঠন করে নিজের শক্তি দেখাতে পারে, আর পরিবহনের যাত্রীরা ঢাকায় সংগঠিত হতে পারবেন না?

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন থাকতে পারলে, ঢাকায় লক্ষ লক্ষ কমিউটারেরও একটা সংগঠন থাকতে পারে। একদিন একজোট হোন সকলে, দশ মিনিটের জন্য সব বাস ট্যাক্সি সিএনজি থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়ান, বলুন, বাস দে হারামজাদা, নইলে মানচিত্র খাবো। এই কাজ করতে না পারলে, তৃতীয় শক্তি নিয়ে মনকলা খেয়ে লাভ নেই।

এই ধরনের লেখার শেষে একটা পরিচয় দিতে হয়। যেমন ধরুন, "গবেষক ও সাহিত্যিক", "কবি ও সাংবাদিক", "শিক্ষক ও রুম্বা নর্তক", "প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত ও মাজার ব্যবস্থাপক" কিংবা "সংস্কৃতি আন্দোলন কর্মী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা"। আমার এমন কিছু নাই  । আমি একজন ব্লগার ও বিশ্বনিন্দুক। আমার কিছু ভাল্লাগেনা।

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।