Tuesday, April 26, 2011

ফরাসি বিস্ময়


সুনীল গাঙ্গুলির কল্যাণে ফ্রান্স আমাদের কাছে ছবির দেশ। কবিতার দেশ। সেইদেশে সঙ্গমবান্ধব লোকজন বাস করে, তারা পান করে সুস্বাদু ওয়াইন, লেখে কবিতা, আঁকে ছবি। যা কিছু ভালো, তার সঙ্গে ... । ফ্রান্সের আছে আইফেল টাওয়ার, আছে র-কে হ্র বলা লোকজনে গিজগিজ প্যারিস, লুভ জাদুঘর, সেখানে মোনালিসা। সভ্যতা ভব্যতায় ফ্রান্স আমাদের চেয়ে অনেক ওপরে। সেই ফরাসিদের বিস্মিত করে দিতে পেরেছি আমরা। এ আমাদের কপালে আরেকটি রাজতিলক। খামারের ইংরেজিতে যদিও বিস্মিত করে দেয়া কথাটার একটা দুষ্টু অর্থ আছে, তবে অত কাবিলি আমরা এখনও হতে পারিনি।
ফরাসী রাষ্ট্রপতির বিশেষ দূত মাহতাঁ ইর্শ আমাদের কায়কারবার দেখে গোটা ফরাসি জাতির হয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে গেছেন। আলেকজান্ডারের পর আর কেউ এইভাবে বিস্মিত হতে পারেনি। ইর্শের সেলুকাস নেই বলে তিনি আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেই যা বলার বলে গেছেন [১]।

ইর্শ বলেছেন,
১৮ মাস আগে আমি এখানে এসেছিলাম। তখন সরকার দারিদ্র্র্য দূরীকরণে কর্মরত গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক ও এ ধরনের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে প্রশংসাসূচক কথা বলেছিলো। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো ১৮ মাস পরে তারাই নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে গেছে।
বিস্ময় প্রকাশ সেরে ইর্শ আসল বার্তাটি দিয়েছেন। বলেছেন,
ফ্রান্সের কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে 'সামাজিক ব্যবসায়' বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারণে তা ঝুঁকিতে পড়ুক - এমনটি ফ্রান্স সরকার চায় না বলে মন্তব্য করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত।
ফ্রান্সের একটি বড় প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে সামাজিক ব্যবসায় আগ্রহের রকমসকম দেখে ফরাসি না হয়েও আমি বিস্মিত হয়েছি। আমার এই পোস্টের বাকি অংশ সেই বিস্ময়েরই প্রতিধ্বনি।
প্রতিষ্ঠানটি ভিওলিয়া ওয়াটার। ফ্রান্সের অন্যতম শক্তিশালী এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ গোষ্ঠীর একটি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস এর সঙ্গে যোগ দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করেছে গ্রামীণ ভিওলিয়া লিমিটেড। দৈনিক প্রথম আলো প্রচণ্ড আহ্লাদের সঙ্গে এর ওপর খবর করেছে ২৭ নভেম্বর, ২০১০ সালে [২]। তারা শিরোনাম লিখেছে, "গরীব মানুষের বিশুদ্ধ পানি গ্রামীণ ভিওলিয়া"।
খবর পড়ে জানতে পাই,
  • ২০১২ সালের মধ্যে এক লাখ মানুষকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পরিকল্পনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
  • দাউদকান্দির গোয়ালমারি ও পদুয়া ইউনিয়নের সাত হাজার পরিবারের মধ্যে দুই হাজার পরিবার রিপোর্টকালীন সময়ে গ্রামীণ ভিওলিয়ার গ্রাহক ছিলো।
  • ডিলারের কাছ থেকে দৈনিক ১০ লিটার পানি নেয় বেশির ভাগ অধিবাসী।
  • সামর্থ্যবান দু-তিনটি পরিবারও ঘরে পানির সংযোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাদের প্রাথমিকভাবে ছয় থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে।
  • ১০ লিটার পানি গ্রামবাসীর কাছে আড়াই টাকায় বিক্রি করে ডিলার ৫০ পয়সা কমিশন পান। বেশ কয়েকজন ডিলারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা পানির কমিশন বাবদ মাসে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা উপার্জন করেন।
  • ১৯টি কলের প্রতিটির জন্যে একজন ডিলার রয়েছেন।
    এবং, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:
  • গ্রামের গরিব মানুষকে কম দামে পানি দিতে আপাতত গ্রামীণ ভিওলিয়াকে প্রতি লিটার পানির জন্য বড় রকমের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তাই মূল প্রকল্পের পাশে আরেকটি প্রকল্প স্থাপন করা হচ্ছে, যেখান থেকে বড় পাত্র ভরে পানি শহরাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হবে। ওই মুনাফা থেকে গ্রামের মানুষের পানি বিক্রিতে ভর্তুকি দেওয়া হবে।
  • গ্রামীণ ভিওলিয়ার লক্ষ্য ছিল গোয়ালমারী ও পদুয়ার সাত হাজার পরিবারের প্রত্যেকে দৈনিক খাওয়া ও রান্নার জন্য ৩০ লিটার পানি কিনবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ শতাংশ অধিবাসী দৈনিক ১০ লিটার করে পানি নিচ্ছে।
  • উদ্যোক্তারা জানান, পানি সরবরাহের জন্য ব্যবহূত উন্নতমানের পাইপ আনা হয়েছে ভারত থেকে। পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র আনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ফ্রান্স থেকে।
এই তথ্যগুলো আমাদের অনেকের মনেই প্রবল গর্ব ও আনন্দ সৃষ্টি করতে বাধ্য। ঐ খবরটিতে একমাত্র কমেন্টটিতে এক পাঠক লিখেছেন, "GOOD----VERY GOOD--WE WILL GO FORWARD--" । বিশ্বে পানি বিরাষ্ট্রীকরণের লাইনে সবচেয়ে বড় কাণ্ডারি ভিওলিয়া এসে আমাদের গরীব গুর্বোদের সস্তায় পানি পিলাচ্ছে, এতে অনেকের বিবেচনায় আমাদের সম্মান হয়তো বেড়েছে। ইউনূস যেমন নোবেল জিতে বলেছিলেন, জাতির উচ্চতা আজ দশফুট হয়ে গেছে। ভিওলিয়া গ্রামীণের সাথে হাত মেলানোয় জাতির উচ্চতা আরো ইঞ্চি দেড়েক বাড়ার দাবি কেউ করলে অবশ্য আমার এই পোস্টের পেছনে যে বিস্ময় কাজ করছে, তা বাড়বে না।
প্রথম আলোর লেখকপরিচয়হীন এই আর্টিকেলটিতে যে উল্লাস ব্যক্ত হয়েছে ভিওলিয়ার আগমনে, সেটা কেন যেন খুব একটা সংক্রামক নয়। যেমন দেখতে পাই, এই পানির মূল্যের একটা বড় অংশই চলে যাচ্ছে পাইপের কল্যাণে ভারতে (বাংলাদেশের ফুড-গ্রেড পাইপের ওপর ইউনূস বা ভিওলিয়া, কারোই ভরসা নেইকো) আর বিশুদ্ধকরণ যন্ত্রের সুবাদে যুক্তরাজ্য-জার্মানি-ফ্রান্সে। আমাদের দেশে আমাদের প্রধান উৎপাদন যন্ত্র হচ্ছে আমাদের শিশ্ন ও যোনি, আমরা বাকি দুনিয়ার জন্য ভোক্তা আর কামলা উৎপাদন করতে জানি শুধু, পাইপও বানাতে পারি না, বিশুদ্ধকরণ যন্ত্রও না। ভাগ্যিস ভিওলিয়া এসে আড়াই টাকা দিয়ে ১০ লিটার পানি খাওয়াচ্ছিলো গ্রামের ঐ গরীবগুলোকে, নইলে কী যে হতো!
তারপরও আমার খটকা দূর হয় না। কারণ এই গরীবগুর্বোদের পানি কেন কিনে খেতে হবে, কেন রাষ্ট্র তাদের জন্য আর্সেনিকমুক্ত পানির সস্তা কোনো সরবরাহ নিশ্চিত করবে না, এ প্রশ্নের উত্তর পাই না। ঢাকা শহরে বিত্তবানেরা ঘরে বসে ১০০০ লিটার পানি পায় ৬ টাকা ৩৪ পয়সায়[৩], আর দাউদকান্দির গোয়ালমারি আর পদুয়া ইউনিয়নের গাঁইয়ারা কেন ১০০০ লিটার পানি ২৫০ টাকা দিয়ে কেনে গ্রামীণ ভিওলিয়ার কাছে, এ এক রহস্যই মনে হয়।
আমার পাপী মন আমাকে বলে, রাষ্ট্রের ব্যর্থতাই বাংলাদেশে গ্রামীণ ও ভিওলিয়ার ব্যবসার প্রথম স্তম্ভ। রাষ্ট্র নিজে গোয়ালমারি আর পদুয়ার সাত হাজার পরিবারের ব্যাপারে উদাসীন।
আর ভিওলিয়া যদি এই গরীবগুর্বোদের পানি পিলিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে চায়, ভর্তুকির টাকা তাকে উসুল করতে হবে নগরাঞ্চলের সুপেয় বোতলজাত পানির মার্কেটে দখল নিয়ে। যেহেতু নামের গোড়ায় গ্রামীণ আছে, আর গ্রামীণ মানেই গরীবের মাইবাপ, কাজেই গরীবের নাম বেচে কিছু কর-সুবিধা বা শুল্ক-সুবিধা হয়তো পেতে পারে প্রতিষ্ঠানটি [নিশ্চিত নই]। অর্থাৎ, শহরে আমাদের অন্যান্য বোতলজাত পানির দেশীয় উদ্যোক্তাদের তুলনায় এই সামাজিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানটি এসব সুবিধার কারণে এগিয়ে থাকবে। তার ওপর তারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পানি ব্যবসায়ী, ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা তো তাদের থাকবেই। গোয়ালমারি আর পদুয়ার আর্সেনিক-কবলিত মানুষদের দেখিয়ে দেশের নগরাঞ্চলের সুপেয় পানির মার্কেটে নিজের সত্যিকার রূপ নিয়েই আবির্ভূত হতে পারে এই পানিবণিক প্রতিষ্ঠানটি। আমার পাপী মনে আরেকটা উদাহরণ কেন যেন বেয়াদবের মতো উঁকি দিলো। গরীব পল্লী নারীর ভাগ্যোন্নয়নের জন্যে টেলিনরও তো গ্রামীণফোন হিসেবে বাংলাদেশে এসেছিলো। গরীব পল্লী নারীর ভাগ্যের আরেকবার উন্নয়ন ঘটাতে ভিওলিয়া ওয়াটারের বাংলাদেশের পানির বাজার দখল করতে সমস্যা কী?
ইউনূস অবশ্য বলেছেন, সামাজিক ব্যবসাকে কর-সুবিধা নিতে হবে না। তিনি ভারতের মুম্বাইতে গিয়ে ভারতীয়দের বুঝিয়েছেন, তাদের দেশে সামাজিক ব্যবসার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। খাতগুলো চিহ্নিত করতে গিয়ে তিনি পানির কথা বলতে ভোলেননি [৪]।
আমার পাপী মন আবারও দুয়ে দুয়ে চার মেলায়। নোবেলজয়ী ইউনূস দেশে দেশে পানি নিয়ে সামাজিক ব্যবসার কথা বলছেন, আবার হাত মিলিয়েছেন দুনিয়ার সবচেয়ে বড় পানিবণিক ভিওলিয়ার সাথে। পানি নিয়ে বিশ্বের প্রথম সামাজিক ব্যবসা শুরুও করেছে ভিওলিয়া।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বিস্ময়ের কারণটা আস্তে আস্তে স্পষ্ট হয়। ইউনূসকে নিয়ে ফরাসি উদ্বেগের মর্মমূলে যে পানি আর ভিওলিয়ার কিছু শিকড় আছে, এমন একটা অসংস্কৃত সন্দেহ জাগে।
কিন্তু আমার বিস্ময় কাটে না। কারণ খোদ ফরাসি মুল্লুকের রাজধানী প্যারিসেই দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পানি বাণিজ্য ঘুচিয়ে দিয়েছেন প্যারিসের মেয়র। প্যারিসের আদ্ধেকটায় পানি সরবরাহ করতো ভিওলিয়া, আর গোটা ফ্রান্সের বেসরকারি পানির ব্যবসার ৫৬%-ই তারা নিয়ন্ত্রণ করে [৫]। ফ্রান্স কয়েক শতক ধরেই পানি সরবরাহের ব্যবসাকে বিরাষ্ট্রীকরণ করেছে, ফলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দুটি পানিবণিক প্রতিষ্ঠান, ভিওলিয়া আর সুয়েজ যে ফরাসি, এতে বিস্ময়ের কিছু নেই। খোদ প্যারিসীয়রাই যেখানে খরচ বাচাতে ভিওলিয়ার হাত থেকে নিষ্কৃতি নিয়েছে, আর প্যারিসখেদানো ভিওলিয়া আমাদের গোয়ালমারি আর পদুয়া ইউনিয়নে এসে ঠাঁই নিলে বুকটা গর্বে একটু ফুলে ওঠে না, বলেন?
বিশ্বের সাড়ে নয় কোটি মানুষের সাথে পানির ব্যবসা করা ভিওলিয়া কিন্তু ক্রমশ লাভ হারাচ্ছে, তাই তারা ক্রমশ ঝুঁকে পড়ছে এশিয়ার দিকে [৬]। বাংলাদেশে গরীবকে পানি পিলাতে তারা এর মধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে। এশিয়া তাদের বাণিজ্য-প্রসারণে আমাদের নোবেলজয়ী ড. ইউনূস যে একজন সহায়ক শক্তি, তা নিয়ে সন্দেহ থাকে না। তিনি টেলিনরেরও বন্ধু ছিলেন। ফ্রান্স যে দূতাবাসের বাইরেও দূত পাঠিয়ে খবরাখবর নেবে, এ আর বিচিত্র কী?
ছবির দেশ, কবিতার দেশ ফ্রান্সের বিশেষ দূত বাংলাদেশে এসে বিস্মিত হয়ে পড়েছেন বলে অনেকেই উদ্বিগ্ন। ফ্রান্সের অপমান সইতে পারেন না, এমন দুয়েকজন বন্ধু আমার আছেন। তাঁদের একজন গিমে জাদুঘরের প্রত্ন নিদর্শনের গাজোয়ারির সময়ও বাংলাদেশের মানুষের মুণ্ডপাত করেছিলেন। প্যারিসে প্রদর্শিত হতে না পেরে আমরা কত হাজার বছর পিছিয়ে ঐ প্রত্ন নিদর্শনের যুগেই ফিরে গিয়েছি, এমন ভর্ৎসনা তিনি আকচার করতেন। এবার তাঁর জন্যে একটি ছবি, ইন্টারনেটে খুঁজে পাওয়া।
সঙ্গে একটি গল্প ফ্রি। সম্রাট আকবর তার কৃপাপ্রার্থীদের অনেকের স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করতেন। সুন্দরী নারীর প্রতি তাঁর একটা স্নেহ কাজ করতো আর কি। এ নিয়ে সম্রাটের নেকনজরবন্দি অনেক পুরুষই ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাঁদের প্রতি আকবরের বার্তা ছিলো, হাতির মাহুতের সাথে বন্ধুত্ব করতে গেলে বাড়ির দরজা উঁচু করতে হয় [বানিয়ে বলছি না, Abraham Eraly-র The Last Spring এ পাবেন]। ছবিতে এরকম একজন হাতির মাহুতকে দেখতে পাচ্ছি। বন্ধুত্ব থাকলেও যে গোয়া মেরে দেয়া যাবে না, এমনটা ফরাসি শাস্ত্রে নেই। তাই ফরাসি বিস্ময় নিয়ে হৃদরোগে ভোগা বন্ধু আমার, সেরে উঠুন।
পুনশ্চ: ১৮ মাসের মধ্যেই সরকারের সাথে ইউনূসের লাঠালাঠি দেখে ইর্শের বিস্মিত হওয়া স্বাভাবিক। সারকোজি আর গাদ্দাফি ২০০৭ এর জুলাইতে পরস্পরের সাথে ঊষ্ণ বন্ধুত্ব স্থাপন করেছিলেন [৭], আর এই ২০১১তে এসে গাদ্দাফির পাছায় মিসাইল দাগছেন সারকোজি। বিবাদে জড়িয়ে পড়তে সারকোজিরই যেখানে ৪৫ মাস সময় লাগে, সেখানে গরীবগুর্বোর দেশ বাংলাদেশের সরকার ১৮ মাসের মধ্যে চুলোচুলি শুরু করে দিলে বিস্মিত না হয়ে উপায় আছে?

1 comment:

  1. "আমাদের দেশে আমাদের প্রধান উৎপাদন যন্ত্র হচ্ছে আমাদের শিশ্ন ও যোনি, আমরা বাকি দুনিয়ার জন্য ভোক্তা আর কামলা উৎপাদন করতে জানি শুধু, পাইপও বানাতে পারি না, বিশুদ্ধকরণ যন্ত্রও না। " .......দীর্ঘশ্বাস..:( :(

    ReplyDelete

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।