Wednesday, January 26, 2011

রুবাইয়াত যা বলতে চেয়েছে

১.
প্রথম আলোতে "মেহেরজান" চলচ্চিত্রের পরিচালিকা রুবাইয়াত হোসেন একটি আর্টিকেল লিখেছেন, "মেহেরজান যা বলতে চেয়েছে" শিরোনামে। আমি মেহেরজান চলচ্চিত্রটি দেখার সুযোগ পাইনি, কিন্তু রুবাইয়াতের আর্টিকেলের পিচ্ছিল দিকগুলো পড়ে সেগুলো নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই।
রুবাইয়াত লিখেছেন,
শিল্প ও ইতিহাসের মধ্যকার যোগসূত্র সব সময় যুক্তিনির্ভর নয়, বরং প্রায়ই তা আবেগনির্ভর। ইতিহাসে ‘একমাত্র’ সত্যের অনুসন্ধান যে ফলপ্রসূ কোনো চর্চা নয়, অনেক দিন ধরে ইতিহাসতাত্ত্বিকেরা সে কথা বলছেন। ইতিহাসের বয়ান সব সময় মতৈক্য অনুসরণ করে এগোয় না। একে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অবকাশ থাকে এবং সব দৃষ্টিভঙ্গিই ইতিহাসের ভিন্ন ভিন্ন বয়ান প্রকাশের সুযোগ দেয়।
এই প্রারম্ভিকা থেকে একটি জিনিস আমি পাঠক হিসেবে বুঝতে পারি, পরিচালিকা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের "একমাত্র" সত্যটির পরিচয় জানেন। এর অনুসন্ধানকে তিনি ইতিহাসশাস্ত্রীদের মুখে গয়রহ কথা বসিয়ে তার ফলপ্রসবে অক্ষমতার কথা লিখে বসলেও, তিনি জানেন, এই "একমাত্র" সত্যটি কী। এই জ্ঞান সাথে নিয়েই তিনি এই প্যারা শেষ করেন এই বলে,
মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপ্তি এত ব্যাপক যে একটি চলচ্চিত্রে তার সামগ্রিকতা ধারণ করা অসম্ভব। কোনো সাহিত্য বা চলচ্চিত্রকর্ম ইতিহাসকে বড়জোর একটি বিশেষ কোণ থেকে আলোকপাত করতে সক্ষম। সেখানে তাই সত্যের ‘একমাত্র’ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ উপস্থিতি খোঁজা খুব যৌক্তিক নয়।
কিন্তু আমরাই না তার প্রথম বাক্য থেকে শিখলাম, যে "শিল্প" আর ইতিহাসের যোগসূত্র সবসময় যুক্তিনির্ভর নয়, বরং "প্রায়ই" তা আবেগনির্ভর? তাহলে আমরা কেন এই ইতিহাসের বিশেষ কোণ থেকে আসা রশ্মির নিচে আলোকস্নানকে যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণ করতে যাবো? নাকি সিনেমানির্মাতাই কেবল শিল্প আর ইতিহাসের মধ্যে আবেগনির্ভর যোগসূত্রটি বর্গা নিয়েছেন, সেখানে দর্শককে বসতে হবে আবেগবিবর্জিত আর যুক্তিকাতর হয়ে?
প্রথম প্যারা থেকে শিখলাম, এখানে রুবাইয়াত হোসেনকে আবেগের তালগাছটি সমর্পণ করতে হবে। যুক্তির প্রখর রোদের নিচে দর্শককে দাঁড় করিয়ে তিনি ঢুকে গেলেন আবেগের ছাতার নিচে। বেশ।
তারপর রুবাইয়াত বলছেন,
মেহেরজান একাত্তরের নারীপ্রধান একটি আখ্যান। এই আখ্যানে রয়েছে সেই নারীদের গল্প, যাঁরা নিজেদের মতো করে যুদ্ধ করেছেন—কখনো হয়তো বন্দুক ছাড়াই; অহিংসার পথে রক্ষা করেছেন আত্মসম্মান।
শেষের বাক্যটি খুব খটকা লাগায়। অহিংসা? অর্থাৎ, "সহিংস" পথে আত্মসম্মান রক্ষা করতে চেয়েছিলেন যে নারীরা, তাদের শুরুতেই পরিচালিকা ছেঁটে ফেলেছে হিসাব থেকে। এখানে অহিংসা শব্দটি পাঠকের মনে একটি অর্ধস্ফূট মেসেজ পাঠায়, যেন মুক্তিযুদ্ধকালীন "সহিংস" পদ্ধতিগুলো বেছে নেয়া একটা অপরাধ, আর তার দায়টিও আমাদের নারীরই।
এরপর তিনি উদ্ধৃতি দিয়েছেন নীলিমা ইব্রাহিম আর সুসান ব্রাউনমিলারের। আমরা বুঝতে পারি, তিনি বীরাঙ্গনাদের ব্যাপারে বই পড়ে পড়ে অনেক কিছু বোঝার চেষ্টা করেছেন। প্রশ্ন জাগতে পারে, কেন? তিনি তো শিল্প আর ইতিহাসের মধ্যে আবেগনির্ভর যোগসূত্র তৈরি করতে চেয়েছেন, যুক্তিকে বা "একমাত্র" সত্যকে সেখানে তেমন একটা পাত্তা দেননি, পুঙ্খানুপুঙ্খ সত্যাশ্রয় তো দূরের কথা। তাহলে কি পরিচালিকা একটি পূর্বনির্ধারিত কাঠামোর সমর্থন দেয়ার জন্যেই ইব্রাহিম ও ব্রাউনমিলারের বই থেকে ৩০-৪০ জন নারীর উদাহরণকে সামনে টানছেন? আর যদি তিনি বই থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে প্রমাণ করতে চান, যে তার কাজ গবেষণার ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে, তাহলে কেন তিনি মাঠ পর্যায়ে একটু খোঁজ করলেন না? প্রচুর বীরাঙ্গনা তো এখনও জীবিত। কাজটা তিনি করেননি, কারণ প্রথমত কাজটা কঠিন, দ্বিতীয়ত, তিনি "একমাত্র" সত্যটি এড়িয়ে যেতেই ইচ্ছুক। তিনি বলতে চান "একমাত্র" সত্যের বাইরে অন্য কিছু।
এরপর তিনি লিখেছেন,
তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লিখন ও মুদ্রণ প্রকল্পের অধীনে ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে সংগৃহীত ও প্রকাশিত হয় আট খণ্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও দলিলপত্র। এটিই মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র আনুষ্ঠানিক তথ্যকোষ, যাতে এই নারীদের বিবৃতি আছে। মোট ২২৭ জনের মৌখিক জবানবন্দির মধ্যে ২৩ জন নারী। তাঁদের মাত্র ১১ জন যৌন নিপীড়নের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন। এসব দলিলে একাত্তরে মেয়েদের ওপর ধর্ষণের নৃশংসতার কিছুটা আভাস পাই, কিন্তু তাঁদের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায় না। সেনাশিবিরে সংঘটিত যৌন দাসত্বের পুরো চিত্রটিও এতে অনুপস্থিত। ফলে ১৯৭১ সালের নিপীড়িত নারীদের নির্ভরযোগ্য ইতিহাস লিখতে গিয়ে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় তাঁদের সংখ্যার ব্যাপক তারতম্য। সুসান ব্রাউনমিলারের অ্যাগেইনস্ট আওয়ার উইল: মেন, উইমেন অ্যান্ড রেপ, সিরাজুল ইসলাম ও মিয়া শাজাহান সম্পাদিত বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ ও অন্যান্য দলিলপত্রের ভিত্তিতে ধর্ষিত নারীর সংখ্যা ৪০ হাজার থেকে আড়াই লাখ, গর্ভপাতের সংখ্যা ২৩ হাজার থেকে ৫০ হাজার এবং যুদ্ধশিশুর সংখ্যা ৪০০ থেকে ১০ হাজারের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানে আসতে না পারায় বিষয়টি অমীমাংসিতই থেকে যায়।
অর্থাৎ, কেউ যদি ধর্ষিতা নারীদের মাথা গুণে সংখ্যাটা বলতে না পারেন, তাহলে এই বিপুল ধর্ষণের ব্যাপারটিই মীমাংসার বাইরে চলে যায়। এটি মীমাংসার নাগালের এত বেশি বাইরে, যে রুবাইয়াত সিদ্ধান্তে এসেছেন, এ নিয়ে কোনো কিছু তিনি সিনেমায় রাখবেন না।
এরপর তিনি লিখছেন,
সুতরাং ১৯৭১ সালে কেবল পাকিস্তানি সৈন্যই নয়, বিহারি, আগাখানি, বাঙালি রাজাকার সবাই কমবেশি অবস্থার সুযোগ নিয়েছিল। আবার এও সত্য, পাকিস্তানি বাহিনীর মেজর আলতাফ করিম প্রিয়ভাষিণীর জীবন বাঁচান এবং সেনাশিবিরের ক্রমাগত নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করেন (নারীর একাত্তর, পৃ. ১৪৫)।
পাকিস্তানি সৈন্যরা "অবস্থার সুযোগ" নিয়ে বাঙালি নারী ধর্ষণ করেছিলো? এখানে যে "অবস্থা"র কথা বলা হচ্ছে, সেটি কি তারাই তৈরি করেনি? আবার আমরা দেখতে পাই, ইতিহাসের একমাত্র সত্যের বাইরে আরেকটি মহাসত্য, কোনো এক পাকি মেজর প্রিয়ভাষিণীর জীবন ও সম্ভ্রম রক্ষা করেন। যেন এই বিচ্ছিন্ন চিত্রটিই পাকিস্তানি সৈন্য + বিহারি + আগাখানি + বাঙালি রাজাকার কর্তৃক "অবস্থার সুযোগ" নেয়ার সমকক্ষ!
নীলা চরিত্রটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রুবাইয়াত লিখেছেন,
নীলা একটি কাল্পনিক চরিত্র, কিন্তু তাঁর মধ্য দিয়ে যে তেজদীপ্ত সাহসিকতা প্রকাশ পেয়েছে, তা পাকিস্তানি বর্বরতার বিরুদ্ধে যেমন, তেমনই আমাদের সমাজের কপটতার বিরুদ্ধেও একটি প্রতিবাদ।
অর্থাৎ, নীলা হচ্ছে সেই সমান চিহ্নটি, যা "পাকিস্তানি বর্বরতা" আর "আমাদের সমাজের কপটতা"কে ইকুয়েট করে। আমাদের কানে ফিসফিস করে বলে, আমরা আর পাকিরা কমবেশি একই।
এরপর আসে রুবাইয়াতের লেখার ক্লাইম্যাক্স,
১৯৭১ সালে একদল পাকিস্তানি বাংলাদেশের প্রতি নৃশংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদনামায় যাঁরা স্বাক্ষর করেছিলেন, তাঁদের অন্যতম ছিলেন পাকিস্তানের মানবতাবাদী কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ। বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলায় কারাবন্দী হয়েছিলেন পাকিস্তানের মানবাধিকারকর্মী আসমা জাহাঙ্গীরের বাবা। এমন কিছু মানুষ সব সময়ই থাকেন, যাঁরা রাজনৈতিক ভেদরেখার ঊর্ধ্বে উঠে যান, থাকেন শান্তি ও ন্যায়বিচারের পক্ষে। মেহেরজান-এ মানুষের তৈরি রাজনৈতিক সীমানা পেরিয়ে একটি সর্বজনীন মানবতাবোধে উদ্বুদ্ধ অহিংস শান্তিবাদের শক্তিকে উপজীব্য করা হয়েছে।
এখানে এই "শান্তি", "ন্যায়বিচার" কথাগুলোর অপব্যবহার যত না পীড়া দেয়, তারচেয়ে বেশি পীড়া দেয় "মানুষের তৈরি রাজনৈতিক সীমানা" কথাটি। যেন আমরা রাজনৈতিক সীমানা তুলে পাকিস্তানকে প্রতিহত করতে গিয়ে শান্তি আর ন্যায়বিচারের বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছিলাম, যে কারণে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি আক্রান্ত মানুষ, এক কোটি শরণার্থী, তিরিশ লক্ষ শহীদ আর দুই লক্ষাধিক ধর্ষিতা নারীকে ছাপিয়ে আমাদের এই সিনেমায় বার বার শুনতে হয় ফয়েজ আহমেদ ফয়েজের কথা। আমরা বুঝতে শিখি, ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ এমন এক মস্ত চ্যাটের বাল ছিলেন, প্রতিবাদনামায় স্বাক্ষর করে তিনি এমন এক অহিংস শান্তিবাদকে উচ্চে তুলে ধরেছিলেন, যা আমাদের মুক্তি সংগ্রামের সহিংস পদ্ধতিকে ম্লান করে দিয়েছিলো। অহো! বাঙালি জাতির উচিত সুবহে সাদিকে উঠে ফয়েজ আহমদ ফয়েজের নিতম্বচুম্বন করা।
আমরা দেখি, এই সিনেমায় কোনো বাস্তব চরিত্র নেই, ফয়েজ আহমদ ফয়েজের বায়বীয় উপস্থিতি ছাড়া। কারণ, রুবাইয়াত লিখেছেন,
এ ছবির মূল মর্ম একটি সর্বজনীন মানবতাবোধ ও দেশ-কাল-পাত্রের ঊর্ধ্বে চিরন্তন প্রেমের জয়গান—যা মানুষকে নিজের গণ্ডি পেরিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।
পরিচালিকা নিজেও অনুধাবন করেছেন, ১৯৭১ সালে এই "সর্বজনীন মানবতাবোধ" এর প্র্যাকটিশনার ঐ ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ ছাড়া আর কোনো রক্তমাংসের মানুষ ছিলেন না। বাকি সবাই, বাঙালি-পাকি নির্বিশেষে সহিংস সব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলো। আমরা এ-ও বুঝতে শিখি, দেশ, কাল আর পাত্রের ঊর্ধ্বে উঠে আমাদের ১৯৭১কে দেখতে হবে, এবং সেখানে প্রেমের জয়গান বাদে বাকি সবকিছুকে চেঁছে ফিল্টার করে বাদ দিতে হবে। ১৯৭১কে দেশকাল দিয়ে বিচার করা যাবে না, পাত্র দিয়ে তো নয়ই!
আমাদের শিক্ষা এখানেই শেষ নয়। আমরা শিখি,
কোরীয় তাত্ত্বিক নোয়েলিন হেইজের তাঁর এক লেখায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যৌন দাসত্বের শিকার কোরিয়ার পুনর্বাসিত নারীদের ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে একটি নান্দনিক সমাধানের পথ প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর প্রস্তাব ছিল, নারীবাদী তত্ত্বের গতানুগতিক ধারার বাইরে ‘অধিক শক্তিধর কিছুর সন্ধান করা, যা জীবনদায়ী, স্বতঃস্ফূর্ত ও পরিবর্তনশীল’। তাই যুদ্ধংদেহী পৃথিবীতে ‘অপর’কে ভালোবাসার গল্প শোনাতেই মেহেরজান ছবির জন্ম।
এই "অপর"কে পরিচালিকা স্থাপন করেছেন ট্রেঞ্চের ওপারে। যুদ্ধংদেহী পৃথিবীতে তিনি শোনাতে চান মুরগি আর শেয়ালের মধ্যে ভালোবাসার গল্প, সাপ আর ব্যাঙের মধ্যে ভালোবাসার গল্প, বাঙালি নারী আর পাকিস্তানি সৈন্যের মধ্যে ভালোবাসার গল্প। আমরা দেখতে পাই, বাঙালি কিশোরী অর্ধনগ্ন বালুচ সৈন্যের সাথে জলছপছপ খেলছে নিরিবিলি ১৯৭১এ। সেই প্রমোদ কানন দেখে মনে হয়, ১৯৭১ ছিলো একটি মস্ত বনভোজন মৌসুম, সে সময় কিছু দুষ্টু দূরে গোলাগুলি চোদাচুদিতে মগ্ন ছিলো, তাই শান্তিবাদী শাশ্বত প্রেমোৎসুক দুটি হৃদয় খুঁজে নিয়েছে একটি কোর্টশিপ ইয়ার্ড, যেখানে লোকে শুধু প্রেম খ্যালে।

২.
১৯৭১ নিয়ে "একমাত্র" সত্যটি যারা সিনেমায় মোকাবেলা করতে পারে না, তাদের ১৯৭১ নিয়ে সিনেমা চোদানো মানায় না। ১৯৭১ নিয়ে ইতিহাসের ভিন্নপাঠের আগে দুইদিনের বৈরাগী এইসব পরিচালকেরা যেন এই "একমাত্র" সত্যপাঠে কিছু সময় ব্যয় করেন। সহসচল কনফুসিয়াসকে উদ্ধৃত করে বলি, মুক্তিযুদ্ধ কদুর তেল না যে ইচ্ছা হলো মাথায় মাখবেন, আর ইচ্ছা হলো হস্তমৈথুন করবেন।

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।