Saturday, May 15, 2010

একটি অত্যন্ত আপত্তিকর শিরোনামযুক্ত পোস্ট

১.
পৃথিবীর মানুষকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এক, যারা বেড়াল ভালোবাসে। দুই, যারা কুকুর ভালোবাসে। কিছু ব্যতিক্রম থাকবেই, যারা বেড়াল কুকুর দুটোই ভালোবাসে, কিংবা বেড়াল কুকুর দুটোর একটাকেও ভালোবাসে না। আমি যেমন দ্বিতীয় গোত্রের মানুষ। আমি কুকুর মোটামুটি পছন্দ করি, বেড়াল একেবারেই সহ্য করতে পারি না।

আমাদের দেশে কুকুরের নাম রাখা হয়। এককালে রাখা হতো ভোলা কিংবা কালু। ইদানীং রাখা হয় টাইগার, প্যান্থার ইত্যাদি। যার যেমন অভিরুচি তেমন বিচিত্র নামও রাখেন অনেকে। কার্টুনের কল্যাণে টম নামটা বেড়ালের জন্যে বরাদ্দ হলেও অনেকে কুকুরের নাম টমি রাখেন।

আমাদের সময় এসেছে পোষা কুকুরের নামের ব্যাপারে আরেকটু সৃজনশীল হবার। পরের প্যারাটা পড়তে পড়তে ভাবুন, কী রাখা যায়।

২.

দৈনিক সমকালে একটা খবর এসেছে। আমি পোস্টের খাতিরে উদ্ধৃত করছি এর একটি অংশ।

পাকিস্তানের অন্তর্জ্বালা!


মুক্তিযোদ্ধাদের নামে গুলশানে দুটি রাস্তার নামকরণের প্রতিবাদ জানিয়েছিল ইসলামাবাদঃ আবদুল মজিদ

গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশন সংলগ্ন দুটি সড়কের নামকরণ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে হওয়ায় পাকিস্তানের দারুণ গাত্রদাহ হয়েছে। অন্তর্জ্বালা অন্তরে না রেখে ইসলামাবাদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামে রাস্তার নামকরণের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ পর্যন্ত জানিয়েছে। পাকিস্তান মনে করে এটি বাংলাদেশের 'উদ্দেশ্যমূলক ও উস্কানিমূলক' কাজ। পাকিস্তান ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর প্রতিবাদ জানালেও দুই দেশের সরকার এতদিন তা গোপন রেখেছিল। সে সময় ইসলামাবাদে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনারকে তলব করে প্রতিবাদপত্র হস্তান্তর করে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ।

২০০৭ সালের জুলাই মাসে ঢাকা সিটি করপোরেশন গুলশান অ্যাভিনিউয়ের নাম মুক্তিযুদ্ধের ৭ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হকের নামে নামকরণ এবং গুলশান অ্যাভিনিউয়ের শেষ মাথায় একটি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। এরপর ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই গুলশানের ৭১ নম্বর সড়ক বীর বিক্রম আমিন আহমেদ চৌধুরীর নামে নামকরণ করে ডিসিসি। এ সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশনের ঠিক উল্টো পাশে। পাকিস্তান হাইকমিশনের অবস্থান গুলশান অ্যাভিনিউয়ের শেষ মাথা ও ডানে ৭১ নম্বর সড়কের কোণে। নতুন নামকরণ হওয়া শহীদ মেজর নাজমুল হক সড়ক এবং বীর বিক্রম আমিন আহমেদ চৌধুরী সড়ক দুটি পাকিস্তান হাইকমিশনের দু'পাশ দিয়ে গেছে।

২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর ইসলামাবাদে বাংলাদেশের তৎকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার মোঃ সুফিউর রহমানকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে। পাকিস্তানের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (দক্ষিণ এশিয়া) ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন সংলগ্ন সড়কগুলো বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামকরণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং একটি প্রতিবাদপত্র ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করেন।

এ বিষয়ে ইসলামাবাদে বাংলাদেশের তৎকালীন উপ-হাইকমিশনার সমকালকে গতকাল শুক্রবার বলেন, ''ঘটনাটি সঠিক। আমাকে ডেকে নিয়ে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছিলেন গুলশানে যে দুটি সড়ক মুক্তিযোদ্ধাদের নামে করা হয়েছে তা 'উদ্দেশ্যমূলক এবং উস্কানিমূলক'। আমি বলেছি ২০০৭ সাল থেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কের নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গুলশানে সড়ক দুটির নামকরণ করা হয়েছে। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ নেই।''
৩.

আমি জানি, আপনি এখন থেকে বাংলাদেশে পোষা কুকুরের জনপ্রিয় দু'টো নতুন নাম বের করে ফেলেছেন আপনার সৃজনশীল মস্তিষ্ক থেকে। আমি জানতাম, আপনি পারবেন।

দাঁড়ান আন্দাজ করি। একটা হচ্ছে ভূট্টো। আরেকটা টিক্কা। তাই না?

চমৎকার দু'টো নাম। আসুন, যারা কুকুর পালি, তারা একটু উদ্যোগী হই। বাংলার ঘরে ঘরে পোষা কুকুরের নাম হোক ভূট্টো আর টিক্কা। আমাদের সাহিত্যে, সিনেমায় কুকুরচরিত্রের নামে ভূট্টো আর টিক্কা অক্ষয় হয়ে থাকুক।

উস্কানিমূলক? অবশ্যই। পাকিস্তানি খানকির পোলাদের মায়রে চুদি।

1 comment:

  1. Who the fuck are they to talk about our business :-w

    ReplyDelete

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।