Sunday, September 13, 2009

মেঘলা দিনে হেরকুলেস

[justify]
কাসেল শহরের ল্যান্ডমার্ক হচ্ছে এর প্রাচীন দুর্গ হেরকুলেস। গ্রীক অতিমানব হেরাক্লেস এর টিউটোনিক উচ্চারণ হেরকুলেস। কাসেল শহরের নামই এসেছে এই দুর্গের ল্যাটিন নাম থেকে। কেউ কাসেলে বেড়াতে এলে এখানটা হয়ে যান।

হেরকুলেস একটা বেশ উঁচু পাহাড়ের একেবারে চূড়ায় তৈরি করা। নিচে তাকালে চোখে পড়ে দু'টি প্রাসাদ, আর বিস্তৃত কাসেল শহর। কাসেলের বুক চিরে একেবারে সোজা একটি রাস্তা আছে, ভিলহেল্মসহোয়য়ার আলে, সেটি একেবারে হেরকুলেস বরাবর।

হেরকুলেসে প্রতি রোববার বেলা আড়াইটায় ভাসারষ্পিল (পানির খেল) বলে একটি শিশুতোষ ঘটনা ঘটানো হয়। দুর্গের চূড়া থেকে পানি ছাড়া হয়, সে পানি গড়িয়ে গড়িয়ে এর ধাপ বেয়ে নামে বহু নিচ পর্যন্ত। দু'টি শিঙাধারী সেন্টরের মূর্তি আছে ইস্রাফিলের ভঙ্গিতে, সেই শিঙা থেকে রমজানের সাইরেনের মতো পোঁওওওওও করে আওয়াজ বের হয়। এই আওয়াজ আর পানির খেলা দেখার জন্যে পর্যটকরা জড়ো হন। নিতান্তই মামুলি দৃশ্য, আমার মতে। এরচে বরং হেরকুলেসের নিচে হাবিখটসভাল্ড (বাজপাখির জঙ্গল)-এর জঙ্গলটা অনেক বেশি সুন্দর, যদিও বহুদূর হাঁটতে হয়। শীতে সেখানে গিয়েছিলাম, গ্রীষ্মে আর যাওয়া হয়নি। পরের হপ্তায় আবার হানা দেবো ভাবছি।

আজ ঘুম থেকে ধীরেসুস্থে উঠে চা বানাচ্ছি, মেঘলা দিনটার চেহারা দেখে মনটা খারাপ হয়ে গেলো। চৌধুরীকে ফোন দিয়ে বললাম বলাই পরিবারসহ হেরকুলেসে গেলে কেমন হয়। বলাই ব্যস্ত, তাই শেষমেশ আমি আর চৌধুরীই গেলাম। বৃষ্টিমগ্ন দিন, একটু পর পর রোদ আর বৃষ্টির চক্র চলছেই। এর মাঝেই কষ্টেসৃষ্টে লেন্স বাঁচিয়ে গোটা কয়েক ছবি তুললাম। ৮৫টা ছবি থেকে এইচডিআর করে আর বেছেবুছে সাতটা পেলাম শেয়ার করার মতো।





১.
বৃষ্টিস্নাত হেরকুলেস






২.
বৃষ্টিস্নাত হেরকুলেস






৩.
বৃষ্টিস্নাত হেরকুলেস






৪.
বৃষ্টিস্নাত হেরকুলেস





৫.
বৃষ্টিস্নাত হেরকুলেস





৬.
বৃষ্টিস্নাত হেরকুলেস





৭.
বৃষ্টিস্নাত হেরকুলেস





[/justify]

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।