Sunday, August 16, 2009

আউটকাস্ট



এই গল্পগুলি সত্যি নয়, তবে জীবন থেকে নেয়া। কোনো চরিত্রের সাথে বাস্তব কোনো ঘটনার মিল নেই। কেউ মিল খুঁজে পেলে তা নিতান্ত কাকতাল।

দাওয়া অফিসে বসে বসে সময় কাটতে চাইছিলো না আর মাহিজাবিনের। দাওয়া কার্যক্রম নিয়ে মাসিক প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ জমে আছে, কিন্তু মাহিজাবিনের মন বসছে না তাতে। মোবাইলটা হাতব্যাগ থেকে বার করে হাতে নিয়েও থমকে যায় মাহিজাবিন। এতো অস্থির হচ্ছে কেন সে? সবুর, সবুর! বিড়বিড় করে মাহিজাবিন। দেশে এখন বাজে দুপুর একটা। রহমতুল্লাহ কী করছে এখন? মেসেঞ্জারে আসে না কেন?

মোবাইলটা ব্যাগে ঢুকিয়ে চোখ বোঁজে মাহিজাবিন। আর মাত্র ক'টা মাস। তারপরই রহমতুল্লাহ চলে আসবে এখানে। তাদের সদ্য তৈরি হওয়া ভাঙা সংসারটা জোড়া লাগবে, দু'জনে নিজ হাতে তৈরি করবে চাষের জমিন, সেখানে রহমতুল্লাহ বীজ বুনবে, মাহিজাবিন ফসল ফলাবে। শান্ত, স্নিগ্ধ, খেজুর পাতার মর্মরে কল্লোলিত একটি মরূদ্যান হবে তাদের জীবন। সেখানে অবোধ দুম্বাশিশুর মতো চরে বেড়াবে তার সন্তানেরা। দু'টি পুত্র আর দু'টি কন্যা থাকবে তাদের, ইখতিয়ারউদ্দিন মওদুদী আর জুলফিকার মোনায়েম, উম্মে নিজামী আর উম্মে হান্নান। সারাদিন দাওয়ার কাজ সেরে রহমতুল্লাহ বাড়ি ফিরবে, ইখতিয়ারউদ্দিন আর জুলফিকার আরবী পাঠ ছেড়ে ছুটে গিয়ে ঘিরে দাঁড়াবে বাবাকে, নিকাবে মুখ ঢেকে উম্মে নিজামী আর উম্মে হান্নান দৌড়ে গিয়ে বাবাকে কুইজ জিজ্ঞেস করবে, নাউ টাইল আজ আব্বাজান, হুইচ ওয়ন অভ আজ ইজ নিজি, অ্যান্ড হুইচ ওয়ন ইজ হান্নি? রহমতুল্লাহও যেন বুঝবে না যে বটলগ্রীন নিকাব পরা ছোট্ট ফেরেশতাটি উম্মে নিজামী, আর অ্যান্টিক হোয়াইট নিকাব পরা অপর ফেরেশতাটি উম্মে হান্নান, সে অনেক ভেবে চিন্তে "আলিফ হামজা সোয়াদ হা, ফারাশা তুই উড়ে যা" দু'আ আউড়ে ভুল উত্তরটা দেবে। নিকাব সরিয়ে খিল খিল করে হেসে উঠবে দুই ছোট্ট হুরপরী। মাহিজাবিন ডাইনিং টেবলে খবুজের রুটি আর খাসির মাংসের ভুনা সাজাতে সাজাতে হাসিমুখে দেখবে সে দৃশ্য।

মাহিজাবিনের চোখের জল মোছে স্কার্ফের খুঁট দিয়ে। আর কত? এত দেরি করছে কেন এই স্টুপিড অথরিটি? রহমতুল্লাহর মতো একজন কোয়ালিফায়েড আলেমকে ভিসা দিতে এতো দেরি হবে কেন?

সবুর, প্রিন্সেস, সবুর। বিড়বিড় করে মাহিজাবিন। রাসূলের শিক্ষা কী? বিপদে বিচলিত না হওয়া। আবুল আলা সাহেবের শিক্ষা কী? আবেগকে প্রশ্রয় না দেয়া। রহমতুল্লাহর সাথে দুদিন ধরে কথা হয় না মাহিজাবিনের, কিন্তু এর চেয়ে কত গুরুত্বপূর্ণ কাজ জমে আছে দাওয়া অফিসে। তুচ্ছ এ আবেগ, নশ্বর এ মোহ। সবুর করলে রহমতুল্লাহর বোনা বীজে মেওয়া ফলবেই, চাষবাসে কেটে যাবে এক একটা সোনালী দিন।

মাহিজাবিন মনকে শান্ত করতে দু'আ ইউনুস আবৃত্তি করতে থাকে ফিসফিস করে। ইউনুস তিমি মাছের পেটে আটকা পড়ে এই দু'আ পড়ে রক্ষা পেয়েছিলেন। মাহিজাবিনের এই একাকিত্ব কি তিমির জঠরের চেয়েও জারক?

মাহিজাবিনের চোয়াল শক্ত হয়ে ওঠে। নাহ। অশান্ত মনটা আরো বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। তারচেয়ে নিশ্চিন্দিপুরব্লগে একটা ঢুঁ মেরে দেখে আসা যাক, বেদ্বীনগুলি নতুন কী তামাশায় লিপ্ত।

বেশিদূর টাইপ করতে হয় না ফায়ারফক্সে, এন আই এস পর্যন্ত লিখতেই নিশ্চিন্দিপুরের লিঙ্কটা চলে আসে অ্যাড্রেস বারে। মাহিজাবিন দাওয়া অফিসে একা থাকলে মাঝে মাঝেই পড়ে নিশ্চিন্দিপুর। উম্মিগুলি দুই পাতা পড়ে আর এক পাতা লিখে নিজেদের কী ভাবে আল্লাহ পাক জানেন। এদের মূর্খতা পড়েও আমোদ মেলে। দোজখের আগুনে ঝলসে যখন এক একটা রোস্ট হবে, তখন টের পাবে মজা। কাঁধের হাসিব তো হিসাব নিয়েই চলছে। প্রত্যেকটি পলকের স্ক্রিনশট সেইভ হয়ে যাচ্ছে স্রষ্টার মাই ডকুমেন্টস ফোল্ডারে।

নিশ্চিন্দিপুর লোড হবার পর মাহিজাবিন ঠোঁট বাঁকায়। কবিতা। মালাউন এক কবির লেখা। দ্রুত স্ক্রল করে নিচে নামে সে। এই কবিগুলির কবিতা পড়লে মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে সুহাগ রাতের মতো।

পরের পোস্টটার শিরোনাম দেখে আগ্রহী হয় মাহিজাবিন, এক অতিথির লেখা। নিশ্চিন্দিপুরের এই ভোগলামি অসহ্য। কতগুলি লোককে মাসের পর মাস ঝুলিয়ে রেখে মেহমান নাম দিয়ে যে অত্যাচার, এর কোনো অর্থ হয়? মেহমানকে নিয়ে রাসূল (সাঃ) কী বলেছেন? মাহিজাবিন ফিসফিস করে ওঠে, আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু, রিপোর্টেড দ্যাট দ্য মেসেঞ্জার অব আল্লাহ সাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়াসাল্লাম সেইড, লেট হুসোএভার বিলিভস ইন আল্লাহ অ্যান্ড ইন দ্য ল্যাস্ট ডে ঈদার স্পিক গুড অর বি সাইলেন্ট। লেট হুসোএভার বিলিভ ইন আল্লাহ অ্যান্ড ইন দ্য ল্যাস্ট ডে অনার হিজ নেইবার। লেট হুসোএভার বিলিভস ইন আল্লাহ অ্যান্ড ইন দ্য ল্যাস্ট ডে হনার হিজ গেস্ট। বুখারী আর মুসলিম শরীফের হাদিস। আর তোরা কী করিস, ফকিন্নির দল? মেহমানদের অপমান। তুচ্ছ তাচ্ছিল্য। ছোটোলোক কোথাকার।

মাহিজাবিন পোস্ট পড়তে থাকে মনোযোগ দিয়ে, কিন্তু একটু পরই মেজাজটা চড়ে যায় তার। এক নেকু মেয়ের লেখা পোস্ট। তার নাকি কিসু ভাল্লাগেনা। সারাটাদিন মন উথালপাথাল করে। সকালে এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে আড্ডা পিটিয়ে এসেছে, দুপুরটা কাটিয়েছে একটা দারুণ রোম্যান্টিক সিনেমা দেখে, কিন্তু সন্ধ্যার অন্ধকার যেন শুধু আকাশের বুকেই নামেনি, নেমেছে তার বুকেও, সেখানে শুধু নিঃসীম খা খা যমুনা চর ... আর এর পর একটা গানের লিঙ্ক দেয়া ইস্নিপ্সে।

বিচ। মনে মনে গাল পাড়ে মাহিজাবিন। দেশটা নষ্ট করে দিচ্ছে এরা। খাটো খাটো টাইট জামা পড়ে বেলেল্লাপনার একশেষ। মাহিজাবিন সারাটা জীবন ঢিলেঢালা ঢোলা ফুলহাতা জামা পড়ে এসেছে, আশেপাশের লম্পট পুরুষগুলি লোভী চকচকে চোখ তারপরও চেটে চেটে খেয়েছে তার জামা আর হিজাব। মাহিজাবিনের গা রী রী করে ওঠে। পারেও এই মেয়েগুলি। ধর্মের সাথে বিন্দুমাত্র সংশ্রব নাই, হয়তো শুধু পরীক্ষার আগের রাতে ভুলভাল অযু করে সুরা এখলাস দিয়ে নামাজের কাজ সেরে আল্লাহর চোখে ধোঁকা দিতে চায়। কিরামান কাতেবীনকে পটাতে পারবি? ওরা কি লিখবে না তুই কী আকাম করিস? একদিনের এক ওয়াক্ত নামাজে কাটে এই পাপ?

মাহিজাবিন মন্তব্যগুলি পড়তে থাকে। ওহ অলমাইটি আল্লাহ, কী নির্লজ্জ এই নিশ্চিন্দিপুরের ব্লগারগুলি। ছেলেবুড়ো সব ঝাঁপিয়ে পড়েছে এই হদ্দ ন্যাকা পোস্টে। "মন ভালো নেই বুঝি?" আরে পড়লিই তো যে মন ভালো নাই, আবার জিগাস ক্যা? "মন খারাপ করবেন না আপুনি। আমারও এমন হয়েছিলো গতকাল। তারপর ... না থাক, আর বললাম না।" ঐ ব্যাটা ঐ, তিনকাল গিয়া এককালে ঠেকছে তোর, তুই এই মাইয়ারে আপুনি কস ক্যা? "বিশ্বাস করুন দুর্গেশনন্দিনী, আপনার পোস্ট পড়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না। অনেক অনেক ভালো থাকুন আপনি ... অনেক!" আরে নেকু, চোখের জলের কী আছে এই পোস্টে? আর দুর্গেশনন্দিনী? হোয়াট ব্লাডি সর্ট অব নিক ইজ দ্যাট? একটা ভালো মুসলিম নিক নিলে কী ক্ষতি হয় মাইয়াটার? হোরি বিচ!

মাহিজাবিন আর পরের কমেন্টগুলি পড়ে না, লুচ্চা লুইস লাফাঙ্গা দিয়ে ভর্তি। পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসতে আসতে মাহিজাবিনের চোখে পড়ে, পোস্ট ভর্তি স্মাইলি। আরে ছেমরি, তুই এইটাও জানিস না, যারা তোর [url=http://en.wikipedia.org/wiki/Mahram]মাহরাম[/url] না, তাদের সামনে তোর পর্দা করতে হয়, তাদেরকে কীভাবে দেখাস তুই তোর ভেটকি? আ উওম্যান শ্যুড নট ইউজ দিজ স্মাইলিজ হোয়েন স্পিকিং টু আ ম্যান হু ইজ নট হার মাহরাম, বিকজ দিজ আর ইউজড টু এক্সপ্রেস হাউ শি ইজ ফিলিং, সো ইট ইজ অ্যাজ ইফ শি ইজ স্মাইলিং, লাফিং, অ্যাক্টিং শাই অ্যান্ড সো অন, অ্যান্ড আ উওম্যান শ্যুড নট ডু দ্যাট উইথ আন নন-মাহরাম ম্যান! কী শিখাইসে এদের বাপমাগুলি? রাগে মাহিজাবিনের শরীর কষকষ করতে থাকে।

পরের পোস্টটা দেখে মাহিজাবিনের সারা শরীর কঠিন হয়ে ওঠে। হামজাদ জায়ূন আর ব্যাং অন দ্য টার্গেট!

মাহিজাবিন দাঁতে দাঁত পেষে। হামজাদ জায়ূন! দ্যাট ঔল্ড ফুল! এই প্রথমবারের মতো সে লক্ষ্য করে, নিশ্চিন্দিপুরের ব্যানারেও হুমদোটার ছবি লটকানো। ওহ, এদের চোখে রওশনি দাও আল্লাহ! আর কতো? নাস্তিক বাস্টার্ডটার এতো ভক্ত কেন এখানে?

মাহিজাবিন পোস্টটা খুলে পড়তে থাকে।

ধীরে ধীরে তার মুখের কুয়াশা কেটে রোদ উঠতে থাকে। লেখককে আরেকবার ভালো করে দেখে সে। কী স্টুডিয়াস একটা লোক! ব্রিলিয়্যান্ট!

পুরোটা পোস্ট শেষ করে মাহিজাবিনের শরীরে যেন ঝিরিঝিরি স্বস্তির বাতাস খেলে যায়। লিঙ্কটা দ্রুত কপি করে একটা মেইল করে সে "বাতেনি ব্যাটল" মেইলগ্রুপে। নিশ্চিন্দিপুরে এমন পোস্ট আগে কখনো পড়েনি সে। ব্যাটাদের হোলোটা কী?

মেইল করে মাহিজাবিন উঠে দাঁড়ায়। চুলের বাঁধন আলগা হয়ে গেছে, ঠিক করতে হবে। ওয়াশরুমে আয়নার সামনে নিজেকে দেখে লজ্জা পায় সে, উত্তেজনায় তার শ্যামলা মুখ বেগুনি হয়ে আছে, চুলগুলি দেখাচ্ছে জ্বিনের চুলের মতো। মাহিজাবিন দ্রুত হাতে চুল ঠিক করতে থাকে। তার মনে পড়ে যায়, সুহাগ রাতে রহমতুল্লাহ ঘাগরার ফিতায় আঙুল রেখে অপটু বেসুরো কণ্ঠে গজল ধরেছিলো, আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন, দিল ওহি মেরা ফাস গায়ি! আহ, সুর না এলেও কী অপূর্ব উর্দু উচ্চারণ রহমতুল্লাহর। দেওবন্দের এক হুজুর নাকি তাকে একবার বলেছিলেন, বেটা, ইতনা আচ্ছে উর্দু তো হামলোগ বোল নেহি সাকতা? কেয়া পিলায়া ইসকো ইস লাল কি মা নে?

মাহিজাবিনের হাত শ্লথ হয়ে আসে নিজের চুলে, শরীরটা ঝিমঝিম করে ওঠে। আর কতদিন রহমতুল্লাহ? কতদিন পর তুমি আর আমি হাতে হাত ধরে বসে থাকবো অপেরা হাউসের সামনে? ছবি তুলবো সহীহ তরিকায়?

মাহিজাবিন আচমকা লজ্জা পেয়ে যায়, দ্রুত সব ঠিকঠাক করে আবার ফিরে আসে ডেস্কে। ওয়েইট ডিয়ার। জাস্ট ইউ ওয়েইট। জাস্ট আ ফিউ ফ্রিকিং মান্থস।

নিশ্চিন্দিপুরের লিঙ্কটা এফ ফাইভ চেপে রিফ্রেশ করে মাহিজাবিন। তার মুখটা আবার কালো হয়ে যায়।

ফ্যাসিস্টগুলি ঝাঁপিয়ে পড়েছে বেচারার ওপর। কী কুৎসিত সব গালি অবলীলায় দিয়ে চলছে বেচারাকে। একের পর এক মন্তব্যে সেই একই কথা ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলছে লোকে। ৭১ এর দালালদের একঘরে করা উচিত। এরা মানুষ না। এরা চুতমারানি। আরো কতো নোংরা নোংরা কথা।

মাহিজাবিনের চোখে জল চলে আসে বড় চাচাজানের কথা ভেবে। চট করে হাতের উল্টোপিঠে চোখ মোছে সে। না, কান্নার সময় এ নয়। এখন লড়ায়ের সময়। আরেকটা ৭১ দরকার সামনে। তবে এবার দরকার বিজয়। পরিপূর্ণ বিজয়।

মাহিজাবিন কীবোর্ড টেনে নেয় হাতে। বেচারা পড়ুয়া লোকটা মাঝে মাঝে লেখায় ইংরেজি বাংলা মিশিয়ে ফেলে, তাই নিয়ে কী নাকি কান্না বাকিদের, কেঁদে গড়িয়ে যাচ্ছে সবাই হিন্দুর ভাষার জন্য। আরে বেটারা, তোরা বাংলা বলিস কই? দেখিস তো খালি ইনডিয়ার ছবি!

ঝড়ের বেগে মাহিজাবিন লিখে যায়, এই পিউরিস্ট অসভ্যতা নিশ্চিন্দিপুরে আগেও দেখেছি, আজও তাই দেখে বিস্মিত নই। গোটা পৃথিবী যখন ইন্টারকালচারাল লেনদেনে বিলিভ করছে, ট্রাস্ট করছে, লিন অন করছে, সেখানে বিশুদ্ধ বাংলা নিয়ে আপনাদের ভাঁড়ামি দেখে হাসি পায়।

রিসাত, গো অন। লাইক ইয়োর স্টাইল। ইউ হ্যাভ রিচড আ গ্রেট কনক্লুশন হোয়্যার জোকারস লাইক হামজাদ জায়ূন অ্যান্ড হিজ ফ্যাগটি নিশ্চিন্দিপুর মবস হ্যাভ ফেইলড। আজ এই ২০০৯ সালে আপনি একজন আউটকাস্ট হলেও, সামনের জেনারেশনে নিশ্চিন্দিপুরে আপনিই হবেন রোলমডেল। বিভেদের সীমা টেনে ইংরেজি বাংলাকে আলাদা করা চলবে না। অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, বেনেফিট অব ডাউট দিতে হবে ইংরেজিকে, ইটস আওয়ার ঔনলি ফাইটিং চ্যান্স। সালাম, জাযাকুল্লাহ খায়রান!

মন্তব্যকারীর নামের জায়গায় বরাবরের মতো মুসলিমা বসাতে গিয়ে থমকে যায় মাহিজাবিন, একটা সলজ্জ হাসি ফুটে ওঠে তার ঠোঁটে, একটু থেমে সে লেখে, মিসেস র।



[hr]
আরবিতে ফারাশা অর্থ প্রজাপতি।
আরবি হাসিব অর্থ অ্যাকাউন্ট্যান্ট।
বাছা, এতো ভালো উর্দু তো আমরাও বলতে পারি না। এই খোকার মা একে কী পান করিয়েছে?
আল্লাহ আপনার ভালো করুন।

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।