Sunday, March 29, 2009

ফুটোস্কোপিক ০১৩

ফুটোস্কোপিক গল্প হচ্ছে ফুটোস্কোপ দিয়ে দেখা গল্প। সামান্যই দেখা যায়।

...

রবি ব্যাকুল গলায় বললেন, "মোহনদাসজী, চাঁদার ব্যাপারটা ...।"

মোহনদাস পরনের কাপড় দিয়ে চশমার কাঁচ মুছতে মুছতে বললেন, "হাঁ হাঁ, দেখ লেঙ্গে জরুর। আপ ঘাবড়াইয়ে মাত।"

রবি তবুও ব্যাকুল গলায় বললেন, "করমচাঁদজী, আপনি তো জানেন, এ স্বপ্ন আমার কতদিনের!"

মোহনদাস মৃদু হেসে বললেন, :আচ্ছি বিজনেস চুজ কিয়া আপনে। ইস জমানেঁমে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিকে লিয়ে কম্পিটিশন বিলকুল কোয়ি ফ্যাক্টর বন নাহি পায়ে। লেকিন ঘনশ্যামদাসজীনে কাহা, কে আগলে জমানেঁমে অ্যায়সা দিন ভি আয়েগা, যব গলি গলিমে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি মিলেগি ...।"

রবি বিব্রত হয়ে বললেন, "না মোহনদাসজী, না! আমি তো ব্যবসা করতে চাই না। আমি শুধু মানসচক্ষে দেখি ... গাছের ছায়ায় বসে ছেলেমেয়েরা পড়ছে ... ।"

মোহনদাস ভুরু কুঁচকে বললেন, "আরে ইয়ে ক্যায়সি বাত হ্যায় ঠাকুর সাহাব? আসমানকে নিচে কিলাস করনা তো কোয়ি আচ্ছি বাত নাহি জী? আপকো তো বিল্ডিং করনা চাহিয়ে! বাচ্চোঁকে মাবাপ তো আসমানকে নিচে পড়ওয়ানে কে লিয়ে আপকে পাস নাহি ভেজেগা উনকো! আপকে পাস খুবসুরত ক্যাম্পাস হ্যায়, দোচার বিল্ডিং খাড়া কর লিজিয়ে। ঘনশ্যাদাসজীনে তো কাহা, কে আগলে জমানেঁমে অ্যায়সা দিন ভি আয়েগা, যব ইউনিভার্সিটিকে লিয়ে সির্ফ বিল্ডিং হি মিলেগা, কোয়ি ক্যাম্পাস ওম্পাস থোড়ি মিলেগা উনকে লিয়ে ...।"

রবি ব্যাকুল হয়ে বললেন, "করমচাঁদজী, একটু ফান্ডের ব্যবস্থা করুন।" এই বলে তিনি মোহনদাসের হাত সজোরে চেপে ধরলেন।

মোহনদাস অস্বস্তিভরে হেসে বললেন, "দেখ লেঙ্গে, জরুর দেখ লেঙ্গে। আব হাথ তো ছোড় দিজিয়ে।"

রবি হাত না ছেড়ে ব্যাকুল মিনতি করতে লাগলেন শুধু।

মোহনদাস বললেন, "আরে ইয়ে তো আচ্ছা মুসিবত মে গিরা হামনে! আরে ভাই তুমকো তো বোলা, দেখলেঙ্গে তুমহারে ফান্ডিং কে বারে মে কেয়া করনা পসিবল হায়। আব হাথ তো ছোড়ো!"

রবি হাত ছাড়লেন না।

মোহনদাস হুঙ্কার দিয়ে বললেন, "ইয়ে হাথ মুঝে দে দে ঠাকুর! ইয়ে হাথ মুঝে দে দে ঠাকুর ... !"

...

[]

No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।