Tuesday, September 30, 2008

প্যালিনকে দেখে উত্তেজিত জার্দারি



দোষ দেবো না। "হকি-মম" সারাহ প্যালিনকে দেখে আমিই উত্তেজিত বোধ করি। মহিলা স্টুপিড হলেও দেখতে বেশ উষ্ণ, তাই কিছুক্ষণ পর নড়েচড়ে বসতে হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুর দিকে একবার এক বন্ধুর সাথে তর্ক হচ্ছিলো, মানুষের ব্রেইনস অ্যাগেইনস্ট লুকস কার্ভ নিয়ে। আমার বক্তব্য ছিলো ব্রেইনস মাল্টিপ্লায়েড বাই লুকস ইকুয়ালস টু আ কনস্ট্যান্ট, হাইপারবোলিক একটা কার্ভ পাওয়া যাবে প্লট করলে, ঠিক যেমন বয়েল-ম্যারিয়ট ল, কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাসের চাপ আর আয়তনের গুণফল একটি ধ্রুব সংখ্যা।

অর্থাৎ, মাগজিক X শারীরিক = ধ্রুবক

বন্ধুটি তর্ক করছিলো যে এর মধ্যে যে কোন একটি ভ্যারিয়েবলের মাথায় একটি ঘাত বসাতে হবে, এবং এই ঘাতের ওপর ভিত্তি করে মানুষের শ্রেণীবিভাগ করা যাবে। ধরা যাক বন্ধুটির নাম চুদির্ভাই, এবং তার নামের আদ্যাক্ষর অনুসারেই সেই এক্সপোনেন্টকে C দিয়ে ভূষিত করা হবে, এক্ষেত্রে,

মাগজিকC X শারীরিক = ধ্রুবক

যাই হোক, যা বলতে চাইছিলাম, আমাদের দু'জনের বক্তব্যই কমবেশি এক ছিলো, বন্ধুটির ক্ষেত্রে নুয়্যান্স একটু বেশি যোগ করা হয়েছিলো, এ-ই যা। আমরা দু'জনই বলতে চেয়েছিলাম, সুরৎ ও জিসম খোলতাই হলে আকল কমতে বাধ্য। পাশাপাশি আক্কেলের বাম্পারফলন হলে চেহারাও বিদঘুটে হতে বাধ্য। জলজ্যান্ত সব উদাহরণ সামনে, স্টিফেন হকিংকে দেখুন, ডারউইনকে দেখুন, জর্জ বার্নার্ড শ'কে দেখুন, আমাকে আর আমার বন্ধুটিকে দেখুন! পাশাপাশি দাঁড় করান মেরিলিন মনরোকে। সালমান শাহকে। জিনা লোলোব্রিজিদাকে।

কার্ভফিটিং নিয়ে আমাদের তেমন সমস্যা হয়নি। কিছু ব্যতিক্রম থাকবেই, যারা একই সাথে দেখতে দারুণ এবং বুদ্ধিও বাহারী, তারা নিতান্তই চ-বর্গীয় প্রাণী। তাদের হিসাবে না ধরলেও চলে।

তো যা বলছিলাম, শুধু তত্ত্ব কপচালেই হবে না, তত্ত্বের প্রয়োগও তো চাই। সারাহ প্যালিনের ঘটনা পড়ে মনে পড়ে গেলো সেই ব্রেইনস ভার্সাস লুকস কার্ভের কথা। মহিলা দেখতে গরম হলেও মাথা ফাঁকা। বিভিন্ন ইন্টারভিউ দেখে মনে হয়েছে বিল মার এর কথাই সত্যি, ম্যাকেইন-প্যালিন জুটি হচ্ছে দ্য ম্যাভেরিক অ্যান্ড দ্য মিল্ফ।

আসিফ জার্দারি সারাহ প্যালিনকে দেখে রীতিমতো ক্ষেপে উঠেছে। নিউ ইয়র্কে প্যালিনের সাথে সম্প্রতি সাক্ষাতের পর সে আর নিজেকে সামলে রাখতে পারছে না। জার্দারির আক্ষরিক মন্তব্যগুলি এমনঃ

“You are even more gorgeous in life...”



“Now I know why the whole of America is crazy about you”



এক ফোটোগ্রাফার যখন দু'জনকে দ্বিতীয়বারের মতো করমর্দন করতে বলেন ছবির খাতিরে, জার্দারি সহাস্যে জানায়,

“If he is insisting, I might hug ...”



ব্লগার আলতাফ খান জানাচ্ছেন,

পাংশু মুখে নিজের স্ত্রীর হত্যাকান্ডের ব্যাপারে তীব্র শোক জ্ঞাপনের পরপরই জার্দারি ভাইসপ্রেসিডেন্টের পদে রিপাবলিকান প্রার্থী ও আলাস্কার সুন্দরী সারাহ প্যালিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন, এবং পর পর দুইবার তাঁর চোখ-ধাঁধানো রূপের প্রশংসা করেন।


শাকির লাখানি ভাবছেন, জার্দারির এই আচরণ ইসলামসম্মত নয়,

আমি ভেবে পাই না, একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট কিভাবে একজন অনাত্মীয়া মহিলাকে জাবড়ে ধরার কথা ভাবতে পারেন। কিন্তু জার্দারি এমনকি এ-ও বলেছেন যে তাঁর এইড জোরাজুরি করলে তিনি তাঁকে (প্যালিনকে) জড়িয়ে ধরবেন, যেখানে এইড তাঁকে (জার্দারিকে) কেবল করমর্দনের কথা বলেছেন ...।


আদনান সিদ্দিকী জানাচ্ছেন,

গতকাল সারাহ প্যালিনের সাথে সাক্ষাতের সময় তিনি তার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি এবং সবক'টা দাঁত বার করে দেখিয়েছেন (নিশ্চিত নই সেগুলি খাঁটি কি না, কারণ শোনা যায় জেলে থাকার সময় সেগুলোকে উপড়ে ফেলা হয়েছিলো) ...।

...

পুরো সাক্ষাতের সময় জার্দারিকে স্ত্রীর ব্যাপারে কোন শোকপ্রকাশ করতে দেখা যায়নি, যেমনটা তিনি পাকিস্তানের প্রতিটি প্রেস কনফারেন্সে করে থাকেন। ...


ইউটিউবের কল্যাণে ভিডিওটা দেখতে পাবেন এখানেই।




জার্দারির জন্যে সদুপদেশ দেয়া যেতে পারতো। এরপর এরকম হট ক্যান্ডিডেটদের সাথে সাক্ষাতের আগে আলি সাহাব যেন খাল্লাস হয়ে যান। মাথায় মাল নিয়ে ডিপ্লোম্যাসি না করাই ভালো।

আর রিপাবলিকানরা এখন গর্ব করে বলতে পারবে, "লুক অ্যাট হার, শি ইজন্ট ইন দ্য অফিস ইয়েট, অ্যান্ড অলরেডি শি ইজ মেকিং থিংস হার্ড ফর দ্যা প্যাকিস্টানিজ!"





হাসতে হাসতে পেটটা ফেটে যাচ্ছে রে ভাই!



ছবি সৌজন্য, টিথ ডট কম
তথ্য সৌজন্য, গ্লোবালভয়েসেসঅনলাইন

4 comments:

  1. from IslamOnline.com


    This website nicely integrated all the evidences for/against statue/images in islam. according to them the paintings in currency isnt too problematic but statues are. they also discussed the different intentions of statue building and rulings according to that, rather than broadly classifying all the statues as 'idols'.


    but this website didn't mention specific evidences. i found the evidences from Quran and Hadith in a book titled 'Halal and Haram in Islam'.

    Lawful and Prohibited in Islam


    if u go to pg 121 of this e-book (page 98 of the hard copy) and keep reading (from the chapter "Islam prohibits statues" onwards), u will find the evidences and relevant interpretation, according to the author.

    ReplyDelete
  2. Hmm. It's very difficult to go and smash the statues in Hyde Park ;).

    ReplyDelete
  3. Prophet Muhammad (S) himself did not smash statues for the first 23 years of his prophethood. Ever wondered why the delay? Difficulty?
    Prophet sent Muslims to live in a Christian land, Abisinya during the Makkan period. They were not ordered to break any idols either.


    He made sure he uprooted the statues first from the hearts of men to firmly establish monotheism and then broke the idols to prevent any come-back. I only try to follow him.

    ReplyDelete
  4. Oh, goodie. You have one more year left then ... before you start hitting on those poor statues in that christian land :). Don't let those duhstu people fall back into polytheism. The whole world is counting on you.

    So, did anything new show up about the smug mugs on the currency bill? Or should people continue blaming the mint?

    ReplyDelete

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।