Wednesday, May 31, 2006

খইভাজি


কাজকাম নাই৷ ভাবছি নাটক লিখবো৷

নাটকের উপজীব্য অবশ্যই প্রেম৷ নর ও নারীর শাশ্বত প্রেম৷ যে প্রেমের সূচনা হতে পারে ধাক্কা খেয়ে৷ সচরাচর নাটকে তা-ই হয়৷ নায়িকার পেলব শরীরের সাথে ধাক্কা খেয়ে নায়ক তখনকার মতো শারীরিকভাবে সামলে নিলেও মানসিকভাবে পঙ্গু হয়ে যায়৷ রাত জেগে তারা দেখে, হারানো দিনের গান শোনে, নায়িকাকে ফোন করে অথবা হাফদিস্তা চিঠি লেখে৷

আমার নাটকেও তার ব্যতিক্রম ঘটাবো না৷ বাউনসার দিয়েই নায়কনায়িকার প্রেমের ওপেনিং৷ তবে মুশকিল হচ্ছে টিভির নাটকে প্রেম বড়ই প্লেটোনিক৷ প্রেমের রগরগে দিকটি দেশীয় রূপালি পর্দায় উন্মোচন এখনও ট্যাবু৷ তাই কাজের স্থান দখল করে নেয় কথা৷ কর্মঠ প্রেমিককে তাই কাম ভুলে হতে হয় বাকপটু৷ সে চিঠি লেখা, ফুল যোগানো, মারপিট ও নাচগানে পারদর্শী হলেও নায়িকাকে জাপটে ধরা বা চুমো খাওয়ার ব্যাপারে নিতান্ত আবুল বাশার৷ তাই নাট্যকারকে প্রচুর ডায়লগ লিখতে হয়৷ এই নিরামিষাশী প্রেমকে টিকিয়ে রাখতে সবচে বেশি ঘাম ঝরে যে প্রাণীটির, সেটি নাট্যকার৷

তাই এখন মস্তিষ্কমন্থন করে প্রেমুয়া ডায়লোগ ভাবছি৷ ব্যক্তিগতজীবনে আমি ধর তক্তা মার পেরেকে বিশ্বাস করি বলে প্রেমে সুবিধা করে উঠতে পারিনি ও পারি না, তাই নাট্যকারজীবনে এসে আমাকে সুললিত আয়াতচর্চা করতে হচ্ছে৷ জানি না এ থেকে আমি নিজেও উপকৃত হতে পারবো কি না৷

দেখি, নায়িকাকে কী বলে পটানো যায়৷ আপনারাও চাইলে কিছুমিছু হেলপো করতে পারেন, কৃতজ্ঞতা স্বীকার করবো, কথা দিচ্ছি৷


No comments:

Post a Comment

রয়েসয়েব্লগে মন্তব্য রেখে যাবার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য মডারেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে। এর পীড়া আপনার সাথে আমিও ভাগ করে নিলাম।